সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

প্রথম ডেস্ক

১৫/০৯/২০২৬ ১০:৫০:৪৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

‘সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। দুর্নীতি, রাজনৈতিক সমঝোতা এবং ক্ষমতাবানদের সঙ্গে আপস না করার বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকের নিজের ফেসবুকের এই পোস্ট আসিফ মাহমুদ তার বিরুদ্ধে আনা ১১ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের ব্যাপারে বলেন, ‘১১ হাজার কোটি না, আমি যদি এর ১% অর্থাৎ ১১০ কোটি টাকারও দুর্নীতি করতাম তাহলে দুদক থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় কোন প্রতিষ্ঠানই আমার বিরুদ্ধে কিছু করতো না।’

এই করাপ্টেড রাষ্ট্রে পুরো সিস্টেম কিনে ফেলার জন্য কয়েক কোটি টাকাই যথেষ্ট মন্তব্য করে তিনি বলেন, জায়গা মতো সালামি আর গিফ্ট পাঠিয়ে দিলে হাজার হাজার অভিযোগও কখনো অনুসন্ধানের মুখ দেখতো না।

তিনি আক্ষেপ করেন, মাঝেমধ্যে মনে হয় সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ। শুধু টাকা থাকার কারণে এস আলমরা টিকে যায় রাষ্ট্রের লাখ কোটি টাকা লোপাট করেও।

উপদেষ্টাকালীন বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রতি ইঙ্গিত করে জুলাইয়ের এই তরুণনেতা বলেন, বড় বড় নেতার ছেলেদের সাথে সমঝোতা করে বিসিবি ডিরেক্টর না বানানো, সিটি কর্পোরেশনে বসতে সহযোগিতা না করা, গণপ্রতিরক্ষা বাস্তবায়নে তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণ শুরু, ভারতীয় দূতাবাসসহ ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার নাম ফেলানীর নামে নামকরণ করার পরেও যে এখন পর্যন্ত রাজনীতিতে বেঁচে আছি এটাই অনেক।

আমি আমার নীতি, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জনকল্যাণের প্রশ্নে কখনো মাথানত করিনাই উল্লেখ করে সাবেক ক্রিড়া উপদেষ্টা বলেন, শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনেকেই সমঝোতা না করে বোল্ড পজিশন বা চ্যালেঞ্জ নেয়াকে আমার ভুল সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখেন। রাজনীতিতে কম্প্রোমাইজ করে চললে হয়তো অনেক ভালো থাকতে পারতাম, তবে বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থাকা লাগতো সারাজীবন।

পোস্টের শেষের দিকে তিনি জোরালোভাবে বলেন, এমন বড় বড় ক্ষমতাবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রের সাথে আপোষ করিনি যাদের কথা এই রাষ্ট্রের কেউই সহজে ফেলার সাহস করে না।’ একেবারে শেষে তিনি ‘এমনটা তো হওয়ারই ছিল’ বলে মন্তব্য করেন।

রত্না বাউরী

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad