দ্রুত পাকাকরণের দাবি
দোয়ারাবাজারের শরীফপুরে কাঁচা ও ভাঙাচোরা সড়কে চরম জনদুর্ভোগ
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের শরীফপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই অবহেলিত রয়েছে গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা; এলাকাজুড়ে ভাঙাচোরা ও কাঁচা রাস্তার কারণে প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার স্থানীয় মানুষ। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, জরুরি চিকিৎসা প্রত্যাশী রোগী ও সাধারণ পথচারীদের যাতায়াতে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন ভোগান্তি। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শরীফপুর এলাকার অধিকাংশ রাস্তা এখনো কাঁচা থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই কাদা জমে বর্ষা মৌসুমে যান চলাচল প্রায় পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে এবং এর ফলে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীরা সময়মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে পারছে না; পাশাপাশি রাস্তার এমন বেহাল দশার কারণে সিএনজিচালিত অটোরিকশা কিংবা কোনো জরুরি যানবাহনও এই এলাকায় প্রবেশ করতে চায় না। এক স্থানীয় কলেজ শিক্ষার্থী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, রাস্তার খারাপ অবস্থার কারণে কোনো গাড়ি আসতে না চাওয়ায় বাধ্য হয়ে প্রতিদিন অনেক দূর হেঁটে কলেজে যেতে হয়, যার ফলে মাঝেমধ্যে ক্লাস মিস হয়ে যায় এবং পরীক্ষার সময়ও সময়মতো পৌঁছানো নিয়ে চরম ঝুঁকিতে পড়তে হয়। স্থানীয় পথচারী সুরুজ জামান বলেন, মুমূর্ষু ও গর্ভবতী রোগী নিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় এবং শরীফপুর এলাকার শেষ প্রান্তে রায়নগর যাওয়ার কাঁচা রাস্তাটি আজ পর্যন্ত পাকা না হওয়ায় বৃষ্টির দিনে এই রাস্তায় সাধারণ মানুষের পক্ষে হেঁটে চলাচল করাও কঠিন হয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ছাত্রদল নেতা রকি আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শরীফপুর এলাকার মেইন রাস্তাটি এখনো কাঁচা রয়ে গেছে; দীর্ঘদিন ধরে এই মহল্লার মানুষ কাঁচা রাস্তা দিয়ে কষ্ট করে চলাচল করছে এবং বর্তমানে এটি চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে; আমরা দ্রুত এই রাস্তার মেরামত ও পাকাকরণের জোর দাবি জানাচ্ছি।”
অবহেলিত এই জনপদের হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত শরীফপুর এলাকার প্রধান সড়কসহ রায়নগর সংযোগকারী বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা সংস্কার ও পাকাকরণের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: