সুনামগঞ্জ সরকারি শিশু পরিবারে জেলা প্রশাসনের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

সুনামগঞ্জ সরকারি শিশু পরিবারে জেলা প্রশাসনের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

নিজস্ব প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ

২৯/০৫/২০২৬ ২১:২৪:৪৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ ও উৎসবের ছোঁয়া পৌঁছে গেছে সুনামগঞ্জের সুবিধাবঞ্চিত ও পিতৃ-মাতৃহীন শিশুদের মাঝে। ঈদের দিন এক ব্যতিক্রমী ও মানবিক উদযাপনে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) শিশুদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান।


​গতকাল (ঈদের দিন) সরকারি শিশু পরিবার প্রাঙ্গণে এই ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ও এক বিশেষ প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি শিশুদের জন্য এক উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে রূপ নেয়।


​অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান শিশুদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান। শিশুদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন সবসময় তোমাদের পাশে রয়েছে। তোমরা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তোমাদের মুখে হাসি ফোটানো এবং একটি উজ্জ্বল ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন সর্বদা বদ্ধপরিকর।


​তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঈদের দিনে এই কোমলমতি শিশুদের সাথে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত ছিল অত্যন্ত আনন্দদায়ক, হৃদয়স্পর্শী এবং অনুপ্রেরণামূলক। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিশুদের সার্বিক উন্নয়ন ও পুনর্বাসনে এই আন্তরিক প্রচেষ্টা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


​ঈদের আনন্দকে দ্বিগুণ করতে শিশু পরিবারের জন্য এক বিশেষ উন্নতমানের প্রীতিভোজের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক নিজে উপস্থিত থেকে শিশুদের মাঝে খাবার পরিবেশন ও তদারকি করেন। পরিবারের স্নেহবঞ্চিত এই বালিকারা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এত কাছে পেয়ে আনন্দে আপ্লুত হয়ে পড়ে।


​উক্ত ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ মতিউর রহমান খান। এছাড়া সরকারি শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়কসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।


​সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন, জেলা প্রশাসনের এমন মানবিক উদ্যোগ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মানসিক বিকাশ, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং ভবিষ্যতে দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করবে।


প্রীতম দাস/ ডি আর ডি

মন্তব্য করুন: