যাত্রী তোলা নিয়ে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে রণক্ষেত্র: আহত ২০

সিএনজি ভাঙচুর

যাত্রী তোলা নিয়ে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে রণক্ষেত্র: আহত ২০

নিজস্ব প্রতিনিধি. ছাতক

০২/০৬/২০২৬ ১৩:২২:১৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের বড় কাপন পয়েন্টে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাত্রী উঠানোকে কেন্দ্র করে বাস ও সিএনজি শ্রমিকদের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর করা হয়।


স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১১টার দিকে বড় কাপন পয়েন্টে যাত্রী পরিবহনকে কেন্দ্র করে এক বাস ম্যানেজারের সাথে সিএনজি ম্যানেজারের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে এই বাকবিতণ্ডা চরম রূপ নেয় এবং উভয় পক্ষের শ্রমিকরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জ্বিত হয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।


দীর্ঘসময় ধরে চলা এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এসময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা মহাসড়কে থাকা বেশ কয়েকটি সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর করে। সংঘর্ষের জেরে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে কিছুক্ষণের জন্য যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত হয় এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বর্তমান পরিস্থিতি ও পুলিশি অ্যাকশন


খবর পেয়ে ছাতক থানা পুলিশ দ্রুত বিপুল সংখ্যক ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


সংঘর্ষে আহত অন্তত ২০ জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।


এ বিষয়ে ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান প্রথম সিলেটকে জানান, "যাত্রী উঠানো নিয়ে বাস ও সিএনজি চালকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়েই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এই ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"


সুজন তালুকদার/ ডি আর ডি

মন্তব্য করুন: