সিলেটের শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক ভবন রক্ষায় সিউকের বিশেষ উদ্যোগ
সিলেটকে আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি শহরের শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক ভবন সংরক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। তিনি বলেন, সিলেটের ঐতিহ্য রক্ষায় শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে সিউক।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সিউকের চার দিনব্যাপী অংশীজন সভার দ্বিতীয় দিনে ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশের (আইএবি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
কয়েস লোদী বলেন, ‘সিলেট আমাদের প্রাণের শহর। এ নগরীকে দৃষ্টিনন্দন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পিত নগর অবকাঠামোর মূল ভিত্তিই হলো নিখুঁত ইঞ্জিনিয়ারিং ও পরিবেশবান্ধব স্থাপত্য নকশা।’
তিনি আরও বলেন, ‘সিলেটের ঐতিহ্য রক্ষায় শতবর্ষী ও ঐতিহাসিক স্থাপত্যসমূহ সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সিউক কাজ করছে। আইএবির স্থপতিদের সুচিন্তিত প্রস্তাবনাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সিউকের মূল মাস্টারপ্ল্যানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’
সিউকের নির্বাহী পরিচালক মো. সাদি উর রহিম জাদিদের সঞ্চালনায় সভায় আইএবির প্রতিনিধিরা সিলেটের ঐতিহাসিক ভবন রক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও নান্দনিক নগর বিনির্মাণে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন। এসব সুপারিশ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেয় সিউক কর্তৃপক্ষ।
সভায় অধ্যাপক মোহাম্মদ শামসুল আরেফিন, সহযোগী অধ্যাপক সুব্রত দাস, সহযোগী অধ্যাপক তানভীর হাসান, সহকারী অধ্যাপক গৌরপদ দে, প্রভাষক ফারহা মুন, লিডিং ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মহসিন আলী, সহকারী অধ্যাপক তানজিমা সিদ্দিকা চাঁদনী, আইএবি ঢাকার কোষাধ্যক্ষ চৌধুরী সাইদুজ্জামান, আইএবি সিলেটের সম্পাদক স্থপতি রাজন দাস, সিউকের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু নাছেরসহ আইএবির বিভিন্ন পর্যায়ের স্থপতি ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
রত্না বাউরী
মন্তব্য করুন: