ছাতক সমিতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ঐশী’র ইংরেজি বক্তব্যে মুগ্ধ অতিথিরা

ছাতক সমিতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ঐশী’র ইংরেজি বক্তব্যে মুগ্ধ অতিথিরা

নিজস্ব প্রতিনিধি. ছাতক

৩০/০৮/২০২৬ ১৩:১২:৪৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

ছাতকের চরমহল্লা ইউনিয়নের চরকাকালী দাস গ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থী তাবাসসুম জান্নাত ঔশী সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষা-২০২৬-এ জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

তার এই সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

তাবাসসুম জান্নাত ঔশী সিলেট মোটর মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী মো. আবুল কাশেম ও গৃহিণী হাসেরা জান্নাত বাবলীর কন্যা।

 তিনি সিলেট জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে GPA-5.00 অর্জন করেন।

ফলাফলে বাংলা বিষয়ে ১৬৬, ইংরেজিতে ১৭৯, গণিতে ৮৬, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ে ৮৬, ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষায় ৮৭, পদার্থবিজ্ঞানে ৭৮, রসায়নে ৯০, জীববিজ্ঞানে ৯৫ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ৪৪ নম্বর পেয়েছেন তিনি। এছাড়া উচ্চতর গণিতে পেয়েছেন ৬৮ নম্বর (A-)।

ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখায় মেধার স্বাক্ষর রাখা তাবাসসুম প্রথম শ্রেণি থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত সিলেটের স্কলার্সহোম পাঠানটুলায় পড়াশোনা করেন।

পরে জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভর্তি হয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে লেখাপড়া চালিয়ে যান।

কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ইংরেজি বক্তব্যে মুগ্ধতা গত ২৯ আগস্ট ছাতক সমিতি, সিলেটের আয়োজনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৬০ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে তাবাসসুম জান্নাত ঔশী ইংরেজিতে সাবলীল, আত্মবিশ্বাসী ও চিন্তাশীল বক্তব্য দিয়ে উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের মুগ্ধ করেন।

তার সুন্দর উপস্থাপন, আত্মবিশ্বাস ও বক্তব্যের সাবলীলতা উপস্থিত সবার প্রশংসা কুড়ায়। মেধার স্বীকৃতির পাশাপাশি তার আত্মবিশ্বাসী বক্তব্য অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে আলোচিত হয়।

দাদার পেশা থেকে অনুপ্রেরণা, স্বপ্ন ডাক্তার হওয়ার তাবাসসুম জান্নাত ঔশীর দাদা ছিলেন একজন পল্লী চিকিৎসক। দাদার মানুষের সেবার পেশা তাকে অনুপ্রাণিত করেছে। তাই ভবিষ্যতে দাদার পেশার পথ অনুসরণ করে ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করতে চান তাবাসসুম।

এসএসসিতে অর্জিত সাফল্যকে সামনে রেখে উচ্চশিক্ষায় আরও ভালো ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে চান তিনি। একজন দক্ষ চিকিৎসক হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করাই তার অন্যতম লক্ষ্য।

তাবাসসুমের এই সাফল্যে তার বাবা-মা, শিক্ষক, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আনন্দ প্রকাশ করেছেন। 

তারা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ, উচ্চশিক্ষায় সাফল্য ও স্বপ্ন পূরণের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

মেধার দীপ্তি, আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ আর দাদার পেশার প্রতি ভালোবাসা—সব মিলিয়ে তাবাসসুম জান্নাত ঔশীর স্বপ্ন এখন ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করা। তার এই স্বপ্ন সফল হোক—এমন প্রত্যাশা পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের।

সুজন তালুকদার / রত্না বাউরী

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad