কোম্পানীগঞ্জের সাংবাদিক সোহেল রানাকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ
পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্মান অনেক সময় কিছু মানুষের চক্ষুশূলের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সমাজে এমন কিছু ঈর্ষাপরায়ন লোক রয়েছে, যারা অন্যের সততা ও সাফল্যকে কোনোভাবেই সহ্য করতে পারে না। আর তখনই তারা মেতে ওঠে মিথ্যার বেসাতিতে; লিপ্ত হয় মান-সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অপচেষ্টায়। এমনই এক জঘন্য চক্রান্তের শিকার হয়েছেন সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের পরিচিত মুখ, রাজপথের লড়াকু সৈনিক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. সোহেল রানা।
সাম্প্রতিক সময়ে একটি গণমাধ্যমে সোহেল রানার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ কাল্পনিক, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য দিয়ে একটি মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এর তীব্র বিরোধিতা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ইতিমধ্যেই ওই পত্রিকার সম্পাদক বরাবর মেইলযোগে এক লিখিত প্রতিবাদলিপি পাঠিয়েছেন তিনি। প্রতিবাদপত্রে তিনি প্রকাশিত সংবাদের সকল অসংগতি ও ভিত্তিহীন দাবি তুলে ধরে অবিলম্বে তা সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন।
মো. সোহেল রানা সিলেটে এক সম্ভ্রান্ত রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির রাজনীতির সাথে সরাসরি যুক্ত। ২০১৬ সালে ‘ইলিয়াস মুক্তি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’-এর ব্যানারে আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের লাঠিচার্জের শিকার হন এবং রাজনৈতিক মামলার আসামি হয়ে দীর্ঘদিন গৃহহীন দিন কাটান। পরবর্তীতে ২০১৮ ও ২০১৯ সালেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আরও দুটি মিথ্যা মামলায় চরম হয়রানির শিকার হন এবং কারাবরণ করেন। শুধু সোহেল রানা নিজেই নন, তাঁর পুরো পরিবারই জাতীয়তাবাদী আদর্শের ধারক ও বাহক। সোহেল রানার পিতা হাজী মো. বিল্লাত আলী বর্তমানে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। ছোট ভাই ইমন চৌধুরী এমসি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
তাছাড়া, সোহেল রানা নিজে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক, জেলা প্রচার দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কোম্পানীগঞ্জ ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি গেল নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠে থেকে লড়াই করেছেন এবং কোম্পানীগঞ্জ পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের থানা সদর ১ নং ওয়ার্ড সেন্টার পরিচালনা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি সোহেল রানা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত রয়েছেন এবং নিজের বৈধ ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তাঁর ও তাঁর পরিবারের এই ঈর্ষণীয় সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং রাজনৈতিক জনপ্রিয়তায় খর্ব করতেই কুচক্রী মহলটি ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে ফায়দা লোটার অপচেষ্টায় মেতেছে।
তিনি বলেন, এই ধরণের মিথ্যা সংবাদ শুধু একজন ব্যক্তির ভাবমূর্তি নষ্ট করে না, বরং সুস্থ সাংবাদিকতার নীতিমালারও পরিপন্থী। ঐতিহ্যবাহী একটি পরিবার এবং একজন কলম সৈনিকের বিরুদ্ধে এমন চক্রান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে কোম্পানীগঞ্জের সুশীল সমাজ ও সর্বস্তরের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা এই হলুদ সাংবাদিকতার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানিয়েছেন।
নীরব চাকলাদার/ আর আর
মন্তব্য করুন: