ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুকে ঘিরে চলমান মামলার শেষ পর্যায়ে এসে নতুন একটি সম্ভাবনার কথা সামনে এসেছে। আদালতের নিযুক্ত ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ পাবলো ফেরারি জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ম্যারাডোনার মৃত্যুর সঙ্গে কোনোভাবে সম্পর্কিত ছিল কি না, তা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, ম্যারাডোনার ময়নাতদন্তের সময় কোভিড পরীক্ষা করা হয়নি। ফলে তার মৃত্যুর পেছনে করোনাভাইরাসের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, সেই প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর আর পাওয়া সম্ভব হয়নি।ম্যারাডোনার চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় যে বিচার চলছে, সেই মামলার শেষ সাক্ষী হিসেবে আদালতে বক্তব্য দেন ফেরারি। তার বক্তব্যের পর ফুটবল কিংবদন্তির মৃত্যুর কারণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
২০২০ সালের নভেম্বরে করোনাভাইরাস মহামারি চলাকালীন ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর তার ময়নাতদন্ত করা হয়। তবে সেই সময় তার শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি যাচাই করতে কোনো পরীক্ষা করা হয়নি বলে আদালতকে জানান ফেরারি।
ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের মতে, এই পরীক্ষা না হওয়ায় মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অনুপস্থিত থেকে গেছে। তাই কোভিড সংক্রমণ তার শারীরিক অবস্থার অবনতিতে কোনো ভূমিকা রেখেছিল কি না, সেটি এখন নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
ফেরারি আদালতে বলেন, কোভিডের কারণে ম্যারাডোনার মৃত্যু হয়েছিল এমন দাবি করার মতো প্রমাণ নেই। একই সঙ্গে সেই সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণভাবে বাতিল করার সুযোগও নেই।
ফেরারির বক্তব্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাস শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করার পর কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত গুরুতর জটিলতা তৈরি করতে পারে। পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হলে অল্প সময়ের মধ্যেই রোগীর শারীরিক অবস্থার বড় ধরনের অবনতি ঘটতে পারে।
উল্লেখ্য, আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার ডিয়েগো ম্যারাডোনা ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে বুয়েনস এইরেসে নিজ বাসায় মারা যান। তার মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে মস্তিষ্কে সাবডিউরাল হেমাটোমার অস্ত্রোপচার হয়েছিল। অস্ত্রোপচার শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বাড়িতেই চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে ছিলেন তিনি।
ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুকে ঘিরে চলমান মামলার শেষ পর্যায়ে এসে নতুন একটি সম্ভাবনার কথা সামনে এসেছে। আদালতের নিযুক্ত ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ পাবলো ফেরারি জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ম্যারাডোনার মৃত্যুর সঙ্গে কোনোভাবে সম্পর্কিত ছিল কি না, তা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, ম্যারাডোনার ময়নাতদন্তের সময় কোভিড পরীক্ষা করা হয়নি। ফলে তার মৃত্যুর পেছনে করোনাভাইরাসের কোনো ভূমিকা ছিল কি না, সেই প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর আর পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ম্যারাডোনার চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনায় যে বিচার চলছে, সেই মামলার শেষ সাক্ষী হিসেবে আদালতে বক্তব্য দেন ফেরারি। তার বক্তব্যের পর ফুটবল কিংবদন্তির মৃত্যুর কারণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
২০২০ সালের নভেম্বরে করোনাভাইরাস মহামারি চলাকালীন ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর তার ময়নাতদন্ত করা হয়। তবে সেই সময় তার শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি যাচাই করতে কোনো পরীক্ষা করা হয়নি বলে আদালতকে জানান ফেরারি।
ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের মতে, এই পরীক্ষা না হওয়ায় মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অনুপস্থিত থেকে গেছে। তাই কোভিড সংক্রমণ তার শারীরিক অবস্থার অবনতিতে কোনো ভূমিকা রেখেছিল কি না, সেটি এখন নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
ফেরারি আদালতে বলেন, কোভিডের কারণে ম্যারাডোনার মৃত্যু হয়েছিল এমন দাবি করার মতো প্রমাণ নেই। একই সঙ্গে সেই সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণভাবে বাতিল করার সুযোগও নেই।
ফেরারির বক্তব্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাস শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করার পর কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত গুরুতর জটিলতা তৈরি করতে পারে। পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হলে অল্প সময়ের মধ্যেই রোগীর শারীরিক অবস্থার বড় ধরনের অবনতি ঘটতে পারে।
উল্লেখ্য, আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলার ডিয়েগো ম্যারাডোনা ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে বুয়েনস এইরেসে নিজ বাসায় মারা যান। তার মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগে মস্তিষ্কে সাবডিউরাল হেমাটোমার অস্ত্রোপচার হয়েছিল। অস্ত্রোপচার শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বাড়িতেই চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে ছিলেন তিনি।
রত্না বাউরী/প্রসি-২৬
মন্তব্য করুন: