জনমনে গুঞ্জন
জগন্নাথপুরে চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা জব্দকৃত তিন নৌকা উধাও
,
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের বড়ফেচী এলাকায় কুশিয়ারা নদী থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জব্দ করা তিনটি বালুভর্তি নৌকা রহস্যজনকভাবে উধাও হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহসীন উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এ সময় তিনটি বালুভর্তি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ করে আশারকান্দি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়ার জিম্মায় দেওয়া হয়। কিন্তু সেদিন রাতেই নৌকা তিনটি জিম্মাস্থান থেকে উধাও হয়ে যায়। তিন দিন পার হলেও প্যানেল চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়া প্রশাসনের কাছে কোনো অভিযোগ না করায় জনমনে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়া দাবি করেন, “এ্যাসিল্যান্ড মহোদয়ের উপস্থিতিতে বড়ফেচী গ্রামের জিলু মিয়া, বজিন্দ্র চন্দ্র দাশ ও গ্রাম পুলিশ উজ্জল মিয়াকে পাহারাদার রাখা হয়েছিল। রাতে দু’জন খাবার খেতে গেলে নৌকা তিনটি নিয়ে যাওয়া হয়।”
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মহসীন উদ্দিন বলেন, “চেয়ারম্যানের জিম্মা থেকে যারা নৌকাগুলো নিয়ে গেছে, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রসঙ্গত, গত ২৭ নভেম্বর কুশিয়ারা নদীতে অভিযান চালিয়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০–এর আওতায় ভ্রাম্যমাণ আদালত নবী হোসেন (৩০) ও আলাল উদ্দিনকে (৩১) ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং মনির হোসেন (২৫), দিদার মিয়া (২৯) ও নজরুল ইসলামকে (২৭) তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। একই অভিযানে বালুভর্তি তিনটি ইঞ্জিন নৌকা জব্দ করা হয়।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: