মাটি সংকট
তাহিরপুরে ফসল রক্ষা বাঁধ প্রকল্পে ১৪টি ক্লোজার, ঝুঁকিপূর্ণ ৬টি,
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার মানুষের আয়ের প্রধান উৎস এক ফসলি বোরো চাষাবাদের উপর, আর এই মৌসুমে এবার ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরোধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ণয় করেছে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর। এ উপজেলার ছোট-বড় ২৩টি হাওরে কৃষকের কষ্টার্জিত রোপণ করা ফসল,উজানের ঢল আর প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যার হাত থেকে রক্ষায় ৯০ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৪টি ক্লোজার।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, ৯০ কিলোমিটার বাঁধের কাজ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও এখন পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠন সম্পূর্ণ হয়নি।
শনির হাওর পাড়ের কৃষক আলমগীর বলেন, সঠিক সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন না করতে পারলে,, আমাদের কষ্টার্জিত রোপণ করা ফসলের হানি ঘটবে, এরফলে পরিবারে নেমে আসবে অভাবনীয় দুর্ভোগ, এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি ।
হাওরে সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ ক্লোজার গুলোর মধ্যে রয়েছে— হালির হাওরের রামজীবনপুর ক্লোজার, শনির হাওরের বৈগানী ক্লোজার, মাটিয়ান হাওরের পালই হাওরের ক্লোজার ও আলমখালি, মাঝের হাটির ক্লোজার, কামালপুর, মহালিয়ার, পানারখাল, জয়পুর ক্লোজারসহ ৬টি ক্লোজার ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলার পাউবো উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনির হোসেন বলেন, এখনও পুরোপুরি সার্ভে সম্পন্ন হয়নি, মাটির সংকট রয়েছে এবং হাওর থেকে ধীরগতিতে পানি নামছে, একারণে কাজ শুরুতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে আশা করছি। ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও বাঁধ নির্মাণ কার্যক্রম পরিদর্শনে রয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের জেলা প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মেহেদী হাসান মানিক সরেজমিনে কাজ তদারকি করছেন।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: