দোয়ারাবাজারে সড়ক সংস্কার কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ
Led Bottom Ad

জনদুর্ভোগ চরমে

দোয়ারাবাজারে সড়ক সংস্কার কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ

২৫/১২/২০২৫ ১৩:৪৫:৪৩

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় এলজিইডির আওতাধীন একটি গ্রামীণ সড়কের সংস্কারকাজ শেষ না করেই কাজের বিল উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এতে দুটি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৯ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদের বরাদ্দকৃত বাজেটের ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে বাংলাবাজার ও বোগলাবাজার হয়ে ব্রিটিশ পাইকপাড়া পর্যন্ত সড়ক সংস্কারকাজের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ। উপজেলা এলজিইডির তত্ত্বাবধানে কাজের দায়িত্ব দেয়া হয় উপজেলা যুবদল নেতা ফখরুল ইসলামকে। চুক্তি অনুযায়ী এক সপ্তাহের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও শুরু থেকেই কাজের মান নিয়ে অভিযোগ উঠতে থাকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের খানাখন্দে রড ছাড়া ঢালাই, কম সিমেন্ট ব্যবহার, অপরিচ্ছন্ন বালু ও কোথাও বালুর পরিবর্তে মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। এসব অনিয়মের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা কাজ বন্ধ করে দেন। পরে ঠিকাদার ঘটনাস্থলে এসে পুনরায় কাজ শুরু করেন, কিন্তু তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করার কারণে সড়কের বিভিন্ন স্থানে এখনও খানাখন্দ ও ভাঙন রয়ে গেছে।

বাংলাবাজার ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘ এক যুগের পর তাদের দুর্ভোগ কমানোর আশায় শুরু হওয়া এ সংস্কারকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে উল্টো ভোগান্তি বেড়েছে। অনিয়মের প্রতিবাদ করায় ঠিকাদার ও তার লোকজন হুমকি দিয়েছে। তবুও কাজের মান উন্নয়ন হয়নি। রিপন আহমেদ নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, "দায়সারা কাজ করে ঠিকাদার বিল তুলে নিয়েছে। প্রতিবাদ করেও কোনও ফল পাইনি। এখনও রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় গর্ত ও ভাঙন রয়েছে।"

অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদার ফখরুল ইসলাম বলেন, "এটি রাস্তার রিপেয়ারিং কাজ ছিল। এস্টিমেটের চেয়ে বেশি কাজ করা হয়েছে। ইউএনও ও এলজিইডির প্রকৌশলী সরেজমিনে এসে কাজের মান দেখে গেছেন।"

উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আব্দুল হামিদও অনিয়মের অভিযোগ নাকচ করে বলেন, "ওখানে সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যারা অভিযোগ করছেন তারা এস্টিমেট না জেনে কথা বলছেন। অনিয়ম বা দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই।"

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad