দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়
বিশ্বনাথে ঐতিহ্যবাহী পলো বাওয়া উৎসব
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের গোয়াহরি গ্রামের দক্ষিণের বড় বিলে পৌষের হিমেল শীত উপেক্ষা করে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বার্ষিক পলো বাওয়া উৎসব। বিলের পানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের প্রায় ১৫ দিন আগেই, ইংরেজি নববর্ষের দিনে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।
প্রতি বছরের মতো এবারও উৎসবে অংশ নিতে প্রবাসীসহ গ্রামের সন্তানরা পিত্রালয়ে ফিরে আসেন। পাশাপাশি স্বামী-সন্তান নিয়ে বেড়াতে আসা অনেক নারীও মিলনমুখর এই আয়োজনে যোগ দেন। উৎসবকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরেই গোয়াহরি গ্রামে বিরাজ করে আনন্দঘন পরিবেশ।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় উৎসব শুরু হয়। নির্ধারিত সময়ের আগেই গ্রামের সব বয়সের পুরুষ ও আশপাশের গ্রাম থেকে আসা আত্মীয়-স্বজন পলো, টেলা জাল, উড়াল জালসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে বিলে নামেন মাছ শিকারে। তবে পানির স্বল্পতা ও তীব্র শীতের কারণে এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় মাছ শিকার কম হয়েছে। অনেককেই ফিরতে হয়েছে খালি হাতে।
স্থানীয় পঞ্চায়েত সূত্রে জানা যায়, ঐতিহ্য অনুযায়ী সাধারণত মাঘ মাসের প্রথম দিনে পলো বাওয়া উৎসব অনুষ্ঠিত হলেও এবার বিলের পানি কমে যাওয়ায় আগাম আয়োজন করা হয়েছে। আজ থেকে আগামী ১৫ দিন পর্যন্ত বিলে মাছ ধরায় কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। এ সময় গ্রামের যে কেউ হাত দিয়ে বা ঠেলা জাল দিয়ে মাছ ধরতে পারবেন। পরে দ্বিতীয় ধাপে আবারও একসঙ্গে পলো বাওয়া উৎসব পালনের সিদ্ধান্ত রয়েছে।
উৎসবে শিকার হওয়া মাছের মধ্যে ছিল বোয়াল, রুই, কাতলা, কার্প, শোলসহ বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছ। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই আয়োজনে বিলপাড়ে শিশু থেকে বৃদ্ধ—সব বয়সী মানুষ জড়ো হয়ে শিকারিদের উৎসাহ দেন।
প্রবাসী রেজাউল করিম বলেন, “দীর্ঘদিন পর দেশে এসে পলো বাওয়া উৎসবে অংশ নিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। কয়েকটি বড় মাছ শিকার করতে পেরেছি—আনন্দটাই
এ রহমান
মন্তব্য করুন: