​সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার নঈমুল হক কারাগারে
Led Bottom Ad

দুর্নীতি ও অনিয়মের মামলা

​সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার নঈমুল হক কারাগারে

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

২৭/০১/২০২৬ ১৪:৩১:০৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

​সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ দুর্নীতি ও অনিয়মের মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. নঈমুল হক চৌধুরীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুনশী আব্দুল মজিদ এই আদেশ দেন।

​দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শফিউল আলম জানান, নঈমুল হক চৌধুরী আজ দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

​নঈমুল হক চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয়টির সূচনা লগ্নে পরিচালক (অর্থ) এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি এ মামলার চার্জশিটভুক্ত ২ নম্বর আসামি। মামলার প্রধান আসামি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য (ভিসি) ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী এখনো পলাতক রয়েছেন।

​২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্তে দেখা যায়:

  • ​২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত কোনো ধরণের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই ২২০ জনকে সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে (অ্যাডহক) নিয়োগ দেওয়া হয়।
  • ​সিন্ডিকেট ও ইউজিসির অনুমোদন ছাড়াই বিধিবহির্ভূতভাবে এই নিয়োগগুলো সম্পন্ন হয়।
  • ​অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগপ্রাপ্তদের নির্ধারিত মেয়াদ শেষে চাকরি নিয়মিত না করে ২ থেকে ৫ বার পর্যন্ত মেয়াদ বাড়িয়ে দুর্নীতিকে প্রলম্বিত করা হয়।

​এই নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল তৎকালীন ভিসি ও রেজিস্ট্রারসহ ৫৮ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সিলেটের সমন্বিত জেলা কার্যালয়। ওই বছরের ২৫ এপ্রিল আদালত সব আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

​এর আগে গত রোববার একই মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও আটজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা এই মামলায় গ্রেফতার বা আত্মসমর্পণের পর জেলহাজতে রয়েছেন।

​নিয়োগ বাণিজ্যের এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং দুদকের এই সাঁড়াশি অভিযানকে সাধারণ মানুষ ও চাকরিপ্রার্থীরা স্বাগত জানিয়েছেন।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad