তারাপুরে মন্দিরে আগুন: ভোরের নাশকতায় ক্ষতিগ্রস্ত উপাসনালয়
Led Bottom Ad

তারাপুরে মন্দিরে আগুন: ভোরের নাশকতায় ক্ষতিগ্রস্ত উপাসনালয়

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

১৫/০২/২০২৬ ১৭:৪৭:৩১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সিলেট সদর উপজেলার গুয়াবাড়ি তারাপুর এলাকায় শ্রী শ্রী গৌর নিতাই মন্দিরে ভোরের অন্ধকারে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় মন্দিরের কক্ষের অংশবিশেষ, ধর্মীয় ছবি ও পূজার সামগ্রী পুড়ে গেছে। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

মন্দিরের দায়িত্বে থাকা মালা মুদি বলেন, পাশের একটি দোকান থেকে ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখেন আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে শ্রীকৃষ্ণ, রাধাকৃষ্ণ, পঞ্চতত্ত্ব, নৃসিংহদেব ও জগন্নাথ প্রভুর ছবি, ভগবদ্গীতা, পূজার কাপড় ও পর্দা পুড়ে যায়। একটি পঞ্চতত্ত্বের ছবি আংশিকভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাঁর দাবি, কারও সঙ্গে কোনো বিরোধ ছিল না।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, উপাসনালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনা শুধু সম্পদের ক্ষতি নয়, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপরও আঘাত। মিলন ভৌমিজ বলেন, এমন ঘটনা এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করেছে। রাজন রায় জগন্নাথ জানান, তিন থেকে চার বছর আগে প্রতিষ্ঠিত মন্দিরে এর আগে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও দায়িত্বশীল বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ পুলিশ–এর এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মোবাশ্বির আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমাদের জিজ্ঞেস করেন কেন? বাগানের ম্যানেজারকে ফোন দেন।” ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত তাঁর জানা নেই বলেও জানান তিনি।

উপাসনালয়ে আগুন দেওয়ার মতো স্পর্শকাতর ঘটনায় থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এমন প্রতিক্রিয়া স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করেছে। কারা, কেন এবং কীভাবে আগুন দিল—এ প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা। দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad