নিরাপদ ও ন্যায্য অভিবাসনে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহবান বাংলাদেশের
অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা, অনিয়মিত অভিবাসন রোধ এবং ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার (৮ মে) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত 'ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরাম'-এর (আইএমআরএফ) সাধারণ বিতর্কে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এই জোরালো আহ্বান জানান।
অধিবেশনে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ একটি ‘হোল-অফ-গভর্নমেন্ট অ্যান্ড হোল-অফ-সোসাইটি’ পদ্ধতির মাধ্যমে অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করছে এবং অভিবাসীদের ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন (জিসিএম) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে 'মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্স' গঠন এবং ২০২৬–২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি বিশ্বনেতাদের অবহিত করেন।
আরিফুল হক চৌধুরী অধিবেশনে তথ্য দেন, প্রথম ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামে দেওয়া বাংলাদেশের ১০টি অঙ্গীকারের মধ্যে সাতটি ইতোমধ্যে সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আরও ছয়টি নতুন অঙ্গীকার জমা দেওয়া হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনকে অভিবাসনের অন্যতম ক্রমবর্ধমান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নির্ভরযোগ্য অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তার দাবি তোলেন। নিরাপদ অভিবাসন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন মন্ত্রী।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: