জগন্নাথপুরে কাঠ ও বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার
Led Bottom Ad

ঝুঁকিতে হাজারো মানুষ

জগন্নাথপুরে কাঠ ও বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার

নিজস্ব প্রতিনিধি, জগন্নাথপুর

১০/০৮/২০২৫ ১৮:৪৮:৪৬

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর  উপজেলার পৌর সভার গোদামের পাশে  নামক স্থানে একটি  ব্রীজ কাজ চলায়, উপজেলা পরিষদ থেকে মানুষের  যাতায়াতের জন্য  বাসের সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়া হয়। বাঁশের সাঁকো দিয়ে  হাজার  পরিবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা চলাচল করছে। এবং বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচলের সময় মাঝে মধ্যেই ছোট ও বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।


স্থানীয় ভুক্তভোগীরা বলেন, পাশে নতুন ব্রীজের কাজ চলছে, পাশে বাসের  সাঁকো দিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করে দিলে, সাঁকোটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে।, বাঁশগুলো নরম  হয়ে গিয়েছে।  উপজেলা পরিষদের  উদ্যাগে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা খরচ করে চলাচলের জন্য বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। এবং ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে  জনগণ  চলাচল করছেন।


সরেজমিনে গিয়ে, এ উপজেলার অনেকের  সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জীবন ও জীবিকার তাগিদে ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোর উপর দিয়ে প্রতিদিন তাদের এই পথে রাস্তা পারাপার করতে হয় যা তাদের জন্য অত্যন্ত আতঙ্কের বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। ভাঙা নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষ স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও রোগীসহ কৃষকের উৎপাদিত কৃষি পূর্ণ নিয়ে যাতায়াত করে ওই এলাকার জনসাধারণ।


রমিজ আলী বলেন, ঝুঁকিপূর্ন এই বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে  পড়ে যায় শিশু । মানুষের  নজরে পড়ায় মেয়েটি প্রাণে বেঁচে যায়। ফলে সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে দিয়ে সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয়। সবিতা,কবিতা রহিম আলী ফারুক মিয়া সহ অনেকে অনুরুপ মন্তব্য করেন। রুস্তম আলী (৬০) বলেন, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাহিরে যান না তিনি। গ্রামের বাহিরে যাওয়ার প্রয়োজন হলে বাঁশের সাঁকোর কথা মনে পড়ে ভয় কাজ করে তার।


জগন্নাথপুর  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)  বরকত উল্লাহ বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত পরির্দশন শেষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।


জগনাথপুর উপজেলা এলজিডি প্রকৌশলী সোহরাব হোসেন বলেন  বাঁশের সাঁকোটি  বৃষ্টিতে নরম হয়ে গেছে, আমরা দ্রুত নতুন বাঁশ দিয়ে সাঁকোটি মেরামত   করে জনগণ   চলাচলের সুবিধা করে দিচ্ছি।।

তাহির আহমদ

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad