এক দফা দাবিতে চতুর্থ দিনেও অচল সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

এক দফা দাবিতে চতুর্থ দিনেও অচল সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

৩০/০৯/২০২৬ ১৯:২১:২৯

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনতা থেকে মুক্ত করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার এক দফা দাবিতে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। আন্দোলনের কারণে বুধবারও কলেজের ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাবসহ সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে নগরের বন্দরবাজার এলাকার কোর্ট পয়েন্টে দাবি আদায়ে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় প্ল্যাকার্ড হাতে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা। পরে শিক্ষার্থীরা সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমানের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি দেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, জেলা প্রশাসন ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা হলেও দাবির বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস পাওয়া যায়নি। লিখিত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

গত রবিবার বেলা ১১টার দিকে আন্দোলন শুরুর পর কলেজের প্রশাসনিক ভবনে অধ্যক্ষ, ১৪ শিক্ষকসহ ২০ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। প্রায় ৩৫ ঘণ্টা পর সোমবার রাত ১০টার দিকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। তবে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি। কলেজের মূল ফটকেও তালা ঝুলিয়ে রাখেন শিক্ষার্থীরা।

কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘‘স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি। শিক্ষার্থীদের অবস্থানের কারণে কলেজের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না।’’

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে থাকায় তাদের ডিগ্রির মান ও স্বকীয়তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে কলেজটিকে শাবিপ্রবির অধিভুক্ত করা অথবা পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছেন তারা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মাজারুল ইসলাম খান বলেন, ‘‘সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আমরা একটি স্মারকলিপি দিয়েছি। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কলেজ শাটডাউন থাকবে। পাশাপাশি আমাদের কর্মসূচিও চলবে।’’

তাহির আহমদ/ প্রসি -২০২৬

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad