মোদির আসনে ধাক্কা খেল বিজেপি

মোদির আসনে ধাক্কা খেল বিজেপি

প্রথম ডেস্ক

২৮/১০/২০২৬ ১৫:৪৭:১৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সংসদীয় এলাকা বারাণসীতে উত্তরপ্রদেশ বিধান পরিষদের নির্বাচনে ধাক্কা খেল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। শিক্ষক আসনে সমাজবাদী পার্টির প্রার্থী লালবিহারি যাদব জয়ী হয়েছেন। একই সঙ্গে বারাণসীর স্নাতক আসনেও সমাজবাদী পার্টির এগিয়ে থাকার খবর সামনে এসেছে। ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে অখিলেশ যাদবের দলের এই সাফল্য রাজনৈতিকভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) উত্তরপ্রদেশ বিধান পরিষদের ১১টি আসনের ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষক ও স্নাতক প্রতিনিধিদের জন্য নির্ধারিত এই আসনগুলিতে বিজেপি এবং সমাজবাদী পার্টির মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। কয়েকটি আসনে বিজেপি জয় পেলেও বারাণসীর ফল প্রধানমন্ত্রী মোদির দলের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে।

বারাণসীর শিক্ষক আসনে সমাজবাদী পার্টির লালবিহারী যাদব বিজেপির প্রার্থী প্রমোদ মিশ্রকে পরাজিত করেছেন। লালবিহারী যাদব পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৫৮ ভোট। বিজেপি প্রার্থী পেয়েছেন ৬ হাজার ৬০ ভোট। অন্যদিকে স্নাতক আসনেও সমাজবাদী পার্টির ভালো ফলের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। 

এদিকে উত্তরপ্রদেশের অন্য কয়েকটি আসনে বিজেপি নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে। লখনউয়ের শিক্ষক আসনে বিজেপির উমেশ দ্বিবেদী জয়ী হয়েছেন। মেরঠের শিক্ষক ও স্নাতক, পাশাপাশি বরেলি-মোরাদাবাদের শিক্ষক আসনেও বিজেপি প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। ফলে সামগ্রিকভাবে বিজেপির নির্বাচনী সাফল্য থাকলেও বারাণসীর ফলকে কেন্দ্র করে বিরোধী সমাজবাদী পার্টি রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

এই নির্বাচনের গুরুত্ব কেবল বিধান পরিষদের কয়েকটি আসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আগামী ২০২৭ সালে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে ভোটারদের মনোভাব বোঝার ক্ষেত্রে এই ফলকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী মোদির সংসদীয় এলাকায় বিজেপির পরাজয় বিরোধীদের কাছে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। 

তবে শিক্ষক ও স্নাতক আসনের ভোটের ফল দিয়ে সরাসরি বিধানসভা নির্বাচনের ফল অনুমান করা যায় না। এই নির্বাচনে ভোটারদের ধরন এবং রাজনৈতিক সমীকরণ আলাদা। তা সত্ত্বেও বারাণসীর ফল বিজেপির জন্য সতর্কবার্তা এবং অখিলেশ যাদবের দলের জন্য মনোবল বাড়ানোর মতো ঘটনা। উত্তরপ্রদেশের বাকি আসনগুলোর গণনা ও চূড়ান্ত ফলের ওপর নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি ও সমাজবাদী পার্টির মধ্যে লড়াই কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে।


পূজা বাড়াইক/প্রসি-২৬

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad