নাব্যতার সংকটে বাগলী শুল্ক ষ্টেশনের ব্যবসায়ীরা
একসময় সম্ভাবনাময় বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাগলি স্থল শুল্ক স্টেশন এখন নাব্যতা সংকটে স্থবির হয়ে পড়েছে। রঙ্গাছড়া নদীর তলদেশ ভরাট হওয়ায় বছরের প্রায় ৭ মাসই বন্ধ থাকে চুনাপাথর পরিবহন। এতে বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা।
২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারতের মেঘালয় থেকে চুনাপাথর আমদানি করেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ৩৫০ জন আমদানিকারক। এ শিল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, এ বন্দর থেকে সরকার বছরে প্রায় ১০০ কোটি টাকার রাজস্ব পেয়ে থাকে।
আমদানিকারক ওমর আলী বলেন, নৌপথ ও সড়কপথের বেহাল অবস্থায় ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। শ্রমিক সমবায় সমিতির সভাপতি আবু তাহের বলেন, নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় শ্রমিকদের কাজও কমে গেছে।
বাগলী আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নূরুজ্জামান জানান, নদী খননের অভাবে দীর্ঘ সময় পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখতে হয়। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের দাবি, রঙ্গাছড়া নদী খনন ও সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন করা হলে বাগলি শুল্ক স্টেশনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম গতিশীল হবে, বাড়বে কর্মসংস্থান ও সরকারি রাজস্ব। দ্রুত নদী খননে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।
শামসুল আলম আখঞ্জী/পূজা বাড়াইক/প্রসি-26
মন্তব্য করুন: