জগন্নাথপুর উপজেলায় কুশিয়ারা নদীতে বালু উত্তোলন
Led Bottom Ad

হাইকোর্টে রিট ব্যবস্থা নিতে আদালতের নির্দেশ

জগন্নাথপুর উপজেলায় কুশিয়ারা নদীতে বালু উত্তোলন

নিজস্ব প্রতিনিধি, জগন্নাথপুর

০৭/১১/২০২৫ ১৬:০৯:৪৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

কুশিয়ারা নদীর সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের জালালপুর খানপুরসহ নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। কুশিয়ারা নদীর কয়েক দশকের টানা ভাঙ্গনে জালালপুর গ্রামটি সবচেয়ে বেশি ক্ষয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়, বসতবাড়ি, মসজিদ মাদরাসা, ফসলি জমি বনজ সম্পদ বিলীন হয়েছে। এই ভাঙ্গনের শিকার হচ্ছে খানপুর গ্রাম। বর্তমানেও কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গন চলমান রয়েছে, নদীর ভাঙ্গন রোধের জন্য জালালপুর গ্রামের প্রবাসীদের উদ্যোগে গাছের ভল্লি দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করা হয়। এই ভাঙ্গন কবলিত স্থানে পাইপলাইন স্থাপন করে অবৈধ বালু উত্তোলন সিন্ডিকেট বালু উত্তোলন করায় এই স্থানে নতুন করে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এতে জালালপুর গ্রামের কবরস্থান, খেলার মাঠ, পাকা সড়ক ও বসতবাড়ি ভাঙ্গনে বিলীন হওয়ার আশংঙ্কা দেখা দিয়াছে। জালালপুর ও খানপুর গ্রামবাসীকে কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করার জন্য অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং নদীর তীর সংরক্ষণ করার জন্য জালালপুর গ্রামের সমাজ সেবক যুক্তরাজ্য প্রবাসী রাকিব আলী হাইকোর্টে রিট করার উদ্যোগ নেন।


গত ১১ সেপ্টেম্বর জালালপুর গ্রামের জাহির আলী হাইকোর্টের আইনজীবীর মাধ্যমে বালু উত্তোলন বন্ধ ও নদীর তীর রক্ষার জন্য সিলেট বিভাগীয় কমিশনার,  সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পরিবেশ অধিদপ্তর, জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,  বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌপরিবহন (বিআইডব্লিউটিএ), পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলীর বরাবর আবেদন করেন। আবেদনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বালু উত্তোলন বন্ধ না হওয়ায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়। 


হাইকোর্টে রিট আবেদনের শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট বিপ্লব কুমার পোদ্দার। রিট বিষয়ে আইনজীবী এডভোকেট বিপ্লব কুমার পোদ্দার বলেন, কুশিয়ারা নদীর সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার অংশে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে, কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন বালু উত্তোলন বন্ধে উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। 


জালালপুর গ্রামের জাহির আলী বাদী হয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন, এই প্রেক্ষিতে গত ২৭ অক্টোবর হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রিট আবেদনের শুনানি হয়। বৃহস্পতিবার আদেশের কাগজ হাতে পেয়েছি, মাননীয় বিচারপতি  বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌপরিবহন (বি আই ডব্লিউটি এ), পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জ ও পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেট কে   এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাইকোর্ট  নির্দেশ দিয়েছেন।

রোদ্দুর রিফাত

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad