মৌলভীবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ
Led Bottom Ad

মৌলভীবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার

১০/০৫/২০২৬ ১২:৪৯:৩০

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় মৌলভীবাজারের হাওর অঞ্চলে বোরো চাষিদের স্বপ্ন এখন পানির নিচে। হাকালুকি, কাউয়াদিঘি ও হাইল হাওরসহ জেলার বিভিন্ন ছোট-বড় হাওরের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সরকারের পক্ষ থেকে তালিকা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেখানে প্রকৃত কৃষকদের বঞ্চিত করে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কৃষি বিভাগ, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও বিএনপির স্থানীয় নেতৃত্বের সমন্বয়ে মাঠ পর্যায়ে সরেজমিন ঘুরে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করার কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি স্থানীয় এক নেতার ফার্মেসিতে বসে ইচ্ছেমতো নাম তালিকাভুক্ত করেছেন। কামারচাক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল খালিক এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ এই সমন্বয়হীনতা ও অনিয়ম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। যদিও কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সাধারণ সম্পাদক দাবি করেছেন যে, নিয়ম মেনেই তালিকা করা হয়েছে।

একই চিত্র মৌলভীবাজার সদর উপজেলাতেও। ১২টি ইউনিয়নে পাঁচ হাজার ক্ষতিগ্রস্তের নাম তালিকায় আসার কথা থাকলেও অভিযোগ রয়েছে যে, কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এমন ব্যক্তিরাও তালিকায় স্থান পেয়েছেন। একাটুনা ইউনিয়নের বিরাইমাবাদ এলাকায় ফসল হারানো চা শ্রমিক প্রদীপ পাসী ও রাজু গৌড় জানান, সব হারিয়ে সর্বস্বান্ত হলেও তাঁদের নাম তালিকায় কেউ তোলেনি। সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাগিব মাহফুজ স্বীকার করেছেন যে, অল্প সময়ের মধ্যে বৃষ্টির কারণে তালিকা তৈরিতে কিছুটা তাড়াহুড়ো হয়েছে। তবে কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে ভুয়া নাম বাদ দিয়ে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad