দোয়ারাবাজারে কোটি টাকার মার্কেট এখন গরু-ছাগলের অবাধ বিচরণক্ষেত্র
Led Bottom Ad

১৭ বছর ধরে অবহেলায় পড়ে আছে

দোয়ারাবাজারে কোটি টাকার মার্কেট এখন গরু-ছাগলের অবাধ বিচরণক্ষেত্র

আশিস রহমান,নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫/১২/২০২৫ ১৩:২৬:৪৩

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে অবহেলায় পড়ে আছে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত গ্রোথ সেন্টার মার্কেট। নির্মাণের পর আজোবধি এই মার্কেটটি চালু না হওয়ায় ও অব্যবস্থাপনার কারণে এখন গরু ও ছাগলের অবাধ বিচরণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ২০০৮ সালে উপজেলা সদরে জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর পাশে নির্মিত হয় এই মার্কেটটি। মার্কেটটিতে নারী বিক্রেতাদের জন্য রয়েছে নির্ধারিত মহিলা বিপনী বিতান, মাছ, মাংস ও সবজি বিক্রির জন্য আলাদা আলাদা শেড; একটি কসাইখানা, সুপেয় পানির জন্য একটি টিউবওয়েল, বৈদ্যুতিক পাম্প ও পানির ট্যাঙ্ক ও টয়লেট রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এতো সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন ও মূল্যবান একটি মার্কেট থাকা স্বত্তেও আজোবধি এটি চালু করা হয়নি। এটি চালু না হওয়ায় উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে ও শরীফপুর ব্রীজের গোঁড়ায় মাছ ও সবজি বাজার থাকায় সারাদিনই যানজট লেগে থাকে। তাছাড়া বাজারের ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে আশপাশের পরিবেশ প্রতিনিয়তই দূষিত হচ্ছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রোথ সেন্টার মার্কেটের বিভিন্ন শেডে গরু ছাগল পায়চারি করছে। মহিলা বিপনী বিতানের দোকানঘর নামে বেনামে বিভিন্ন মানুষ ভোগ দখল করছেন। পরিত্যক্ত শেডে মাদকসেবী ও জুয়ারীদের আড্ডা দিতে দেখা গেছে।

মাছিমপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, “এই মার্কেটটি নির্মাণের সময় অপরিকল্পিত ভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। নদীর পাড়ে এই মার্কেটটি নির্মিত হলে মাছ ব্যবসায়ীদের সুবিধা হতো।”

দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল বারী বলেন, “আমি ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকাকালে একাধিক বার এই মার্কেটটি চালু করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু তৎকালীন প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের অসহযোগিতার কারণে মার্কেটটি আর চালু করা যায়নি। সামনে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে এই মার্কেটটি চালু করার উদ্যোগ নেব।”

এলজিইডি'র দোয়ারাবাজার উপজেলার উপসহকারি প্রকৌশলী জসীম উদ্দিন বলেন, “আমি শুনেছি আগে একাধিক বার এই মার্কেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় মাছ ও সবজি ব্যবসায়ীরা এখানে আসতে আগ্রহী না হওয়ার কারণে এই মার্কেটটি নির্মাণের পর আর চালু করা যায়নি।

দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরূপ রতন সিংহ জানান, “স্থানীয় লোকজন, ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিরা সহযোগিতা করলে এই মার্কেটটি চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করব।”

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad