হবিগঞ্জ–সিলেট রুটে অবৈধ ভাবে চলাচল করছে ৩২ বাস
Led Bottom Ad

বেশির ভাগের নেই রুট পারমিট, ফিটনেসও মেয়াদোত্তীর্ণ

হবিগঞ্জ–সিলেট রুটে অবৈধ ভাবে চলাচল করছে ৩২ বাস

তাহির আহমদ

১৪/০৫/২০২৬ ১৭:১১:১৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

হবিগঞ্জ থেকে সিলেট ভায়া মৌলভীবাজার সড়কে চলাচলকারী ‘হবিগঞ্জ–সিলেট এক্সপ্রেস’ পরিবহনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অনিয়মের অভিযোগ এবার নথিপত্র যাচাইয়ে সামনে এসেছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এই রুটে চলাচলকারী বেশ কয়েকটি বাসের বৈধ রুট পারমিট নেই। অনেক গাড়ির ফিটনেস ও ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদও বহু আগেই শেষ হয়েছে।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি প্রশাসনের তল্লাশিতে ৩২টি বাসের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ১৪টি বাসের ফিটনেস ও ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ পাওয়া যায়নি বা মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল। কয়েকটি বাসের ক্ষেত্রে নথিতে সরাসরি ‘রোড পারমিট নাই’ উল্লেখ রয়েছে।


তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, কিছু বাস অন্য রুটের পারমিট ব্যবহার করে এই পথে চলাচল করছিল। এর মধ্যে সায়েদাবাদ–সোনাপুর, টাঙ্গাইল–মাঝদিহী, ঢাকা–বরিশাল, কক্সবাজার–সিলেটসহ বিভিন্ন দূরপাল্লার রুটের পারমিট ব্যবহার করার তথ্য পাওয়া গেছে।


নথি অনুযায়ী, ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৪৮৯১ নম্বর বাসটির ফিটনেস ও ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ ২০১৫ সালেই শেষ হয়েছে। আর ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৪০৪৯ নম্বর বাসটির ফিটনেসের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০০৪ সালে।


এর আগে গত ১০ মে মৌলভীবাজারে পরিবহন শ্রমিক ও মালিকদের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, সড়কে বাস আড়াআড়ি করে রেখে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটানো হয়। পরে সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে বাসগুলোর কাগজপত্র যাচাই শুরু হয়।


স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা প্রশ্ন তুলেছেন, নিয়মিত চেকপোস্ট ও তদারকি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব বাস চলাচল করেছে। তাঁদের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।


পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, ফিটনেসবিহীন ও অনুমোদনহীন বাস চলাচল যাত্রী নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি। একই সঙ্গে এতে সরকার রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।


এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরে যুক্ত করা হবে।

ডি আর ডি

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad