সুনামগঞ্জ-৩: মনোনয়ন বাতিল প্রার্থী হোসাইন আহমেদের ইসিতে অভিযোগ
Led Bottom Ad

সুনামগঞ্জ-৩: মনোনয়ন বাতিল প্রার্থী হোসাইন আহমেদের ইসিতে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, শান্তিগঞ্জ

০৭/০১/২০২৬ ১৪:০৯:২৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জ-৩ (শান্তিগঞ্জ-জগন্নাথপুর) আসনে মনোনয়ন বাতিল হওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন আহমেদ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব, অনিয়ম ও ইচ্ছাকৃত অসহযোগিতার অভিযোগ করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।


মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর ইমেইলে পাঠানো অভিযোগপত্রে হোসাইন আহমেদ বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শতকরা ১ ভাগ ভোটারের সমর্থন যাচাইয়ে অসঙ্গতি থাকায় আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। বাতিল আদেশের সার্টিফাইড কপি দেওয়া হলেও এতে শুধু অসংগতিপূর্ণ ক্রমিক নম্বর উল্লেখ রয়েছে; ভোটারের নাম, ঠিকানা, ভোটার নম্বর বা যাচাই রিপোর্ট দেওয়া হয়নি। এটি আপিলে আইনি যুক্তি উপস্থাপনের জন্য যথেষ্ট নয়।’


অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেনের মনোনয়নের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। ১ শতাংশ ভোটার সমর্থন যাচাইয়ের দৈবচয়ন পদ্ধতি বাতিলকৃত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হলেও বৈধ প্রার্থীর ক্ষেত্রে তা স্পষ্ট করা হয়নি। এছাড়া আপিলের সময়সীমা অত্যন্ত সীমিত (৫–৯ জানুয়ারি) করার মাধ্যমে তার আপিল প্রস্তুতিকে বিলম্বিত করা হয়েছে, যা হোসাইন আহমেদর দাবি অনুযায়ী ইচ্ছাকৃত ষড়যন্ত্র ও দুর্নীতির প্রমাণ।


তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে দাবি জানিয়েছেন, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে সকল আবেদন গ্রহণের আদেশ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হোক। এছাড়া বাতিল আদেশের বিস্তারিত যাচাই রিপোর্ট, ভোটার তথ্য ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর যাচাই তথ্য অবিলম্বে প্রকাশ করা হোক। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া এবং নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির মাধ্যমে পূর্ণ তদন্ত গ্রহণেরও দাবি করা হয়েছে।


হোসাইন আহমেদ জানান, “জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার অসহযোগিতা, স্বজনপ্রীতি ও নানা অনিয়ম উল্লেখ করে আমি প্রধান নির্বাচন কমিশন বরাবর লিখিত অভিযোগ পাঠিয়েছি। বৃহস্পতিবার মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল দাখিলের সময় এই অভিযোগপত্রের হার্ডকপিও দাখিল করব। আশা করি, নির্বাচন কমিশন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে আমাকে সহযোগিতা করবে।”


জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করে খুদেবার্তার মাধ্যমে ‘বার্তা’ পাঠানোর অনুরোধ করেছেন। এরপরও প্রতিবেদকের বার্তা ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা সাড়া পাননি।

ডি আর ডি

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad