দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য, সিলেটে বিএনপির ৯ নেতাকর্মী বহিষ্কার
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ–কানাইঘাট) আসনে বিদ্রোহী এক প্রার্থীর পক্ষে তৎপর থাকার অভিযোগে বিএনপির ৯ জন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন জকিগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপির এবং চারজন কানাইঘাট উপজেলার বিভিন্ন ইউনিটের নেতা।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বহিষ্কৃত জকিগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতারা হলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন সেলিম, যুগ্ম সম্পাদক মাসুক আহমদ, সদস্য রিপন আহমদ এবং পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহমদ।
অন্যদিকে কানাইঘাট উপজেলার বহিষ্কৃত নেতারা হলেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ওয়েছ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক খছরুজ্জামান পারভেজ, কোষাধ্যক্ষ আবুল বাশার, লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম এবং রাজাগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হোসেন নিমার।
দলীয় সূত্র জানায়, এসব নেতা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত মামুনুর রশীদ মামুন, যিনি চাকসু মামুন নামে পরিচিত, তাঁর পক্ষে নির্বাচনী তৎপরতায় যুক্ত ছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে রুহুল কবির রিজভী বলেন, দলীয় নির্দেশনা অমান্য ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁদের সব ধরনের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়ভাবে বলা হচ্ছে, বহিষ্কৃতদের বাইরে আরও কিছু বিএনপি নেতা গোপনে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।
উল্লেখ্য, সিলেট-৫ আসনে বিএনপি নিজ দলীয় কোনো প্রার্থী দেয়নি। আসন সমঝোতার ভিত্তিতে দলটি জমিয়তের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে সমর্থন দিয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অনড় থাকেন চাকসু মামুন। পরে তাঁকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।
মীর্জা ইকবাল
মন্তব্য করুন: