সিলেটে বাড়তি দামের চাপে শুরু হলো রমজান
Led Bottom Ad

স্বস্তির বদলে ক্রেতাদের শঙ্কা

সিলেটে বাড়তি দামের চাপে শুরু হলো রমজান

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

১৯/০২/২০২৬ ১৫:১৭:৫৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমার কোনো লক্ষণ না থাকায় সিলেটে বাড়তি দামের চাপ কাঁধে নিয়েই শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান মাস। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার দাবি ব্যবসায়ীদের থাকলেও পাইকারি বাজারে বাড়তি দামের অজুহাতে খুচরা পর্যায়ে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রতিটি পণ্যের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে স্বস্তির বদলে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বন্দরবাজার, আম্বরখানা ও সুবিদবাজার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজ ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা এবং রসুন ১৫০ টাকা থেকে ২৩০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। রমজানের অন্যতম অনুষঙ্গ ছোলার ডাল ৯০ টাকা ও মসুর ডাল ৮৫-৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকায়। আমদানিকৃত খেজুরের দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে; একদিনের ব্যবধানে দিহাদি ব্র্যান্ডের খেজুর ২৪০ টাকা থেকে বেড়ে ২৮০-২৯০ টাকা এবং ফরিদা ব্র্যান্ডের খেজুর ৫৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। সবজির বাজারেও বেগুন, শসা, গাজর ও কাঁচা মরিচের দাম ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। তবে কিছুটা কমে ব্রয়লার মুরগি ১৮৫ টাকা কেজি এবং ডিম ৩৫-৪৫ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার পরিস্থিতির বিষয়ে আম্বরখানার খুচরা বিক্রেতা ফেরদৌস ইসলাম জানান, পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় এবং পরিবহন ও ডলারের প্রভাবের কারণে তারা দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন। অন্যদিকে সুরমা বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী পাপ্পু আহমেদ অভিযোগ করেন, একটি মহল বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে চাচ্ছে, বিশেষ করে সয়াবিন তেলের সংকট দেখিয়ে দাম বাড়ানো হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার তদারকির দাবি জানানো হলেও সাধারণ ক্রেতারা বলছেন বাস্তবে এর প্রভাব নেই।

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাঈদা পারভীন জানান, বাজার নিয়ন্ত্রণে ৫টি মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি মূল্যতালিকা টাঙানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad