প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
‘সিলেটে আধুনিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে’
শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির প্রতীক। এই উৎসবকে ঘিরে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করতে শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীদের যথাযথ সম্মান ও সহযোগিতা নিশ্চিত করা জরুরি। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে সিলেট নগরীর ব্লু বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং শ্রীহট্ট সংস্কৃত কলেজ প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক সংগঠন 'শ্রুতি' ও 'আনন্দলোক' আয়োজিত পৃথক বর্ষবরণ উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সিলেটের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে সীমিত সম্পদে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তার অভাবে এই অঞ্চল সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। এই সংকট নিরসনে তিনি জানান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষিতে সিলেটের জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে দ্রুত একটি আধুনিক ‘সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স’ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই কমপ্লেক্সে সাংস্কৃতিক চর্চা এবং শিশু-কিশোরদের উন্নত প্রশিক্ষণের সকল সুযোগ-সুবিধা থাকবে।
নববর্ষের শুভক্ষণে মন্ত্রী দেশবাসীকে অতীতের ভুলত্রুটি ভুলে ঐক্য, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সম্প্রীতির দেশ এবং এ অঞ্চলের মানুষও সেই সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বেই একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।” তরুণদের মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থেকে সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, ভারতীয় হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব রাজেশ ভাটিয়া এবং সিলেট জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমদ। এছাড়া প্রবীণ সঙ্গীত শিল্পী হিমাংশু বিশ্বাস, নাট্য সংগঠক শামসুল বাসিত শেরো, আনন্দলোকের পরিচালক রানা কুমার সিংহ এবং শ্রুতির সদস্য সচিব সুকান্ত গুপ্তসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রীর এই আশ্বাস ও নববর্ষের শুভেচ্ছা উপস্থিত সুধীজনের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: