সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দ্রুত চালু ও সংকট সমাধানের দাবি

শিক্ষার্থীদের পাশে এনডিএফ

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দ্রুত চালু ও সংকট সমাধানের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ

২৭/০৬/২০২৬ ১৬:৪৫:৪১

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা দ্রুতসময়ের মধ্যে হাসপাতাল চালু করা এবং তীব্র শিক্ষক সংকট সমাধানের দাবিতে যে লাগাতার ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করেছে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ), সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি।


​আজ এক যৌথ বিবৃতিতে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি রত্নাকুর দাস জহর এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম ছদরুল শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনকে অত্যন্ত যৌক্তিক ও গণমানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম বলে আখ্যায়িত করেন।


​যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, একটি মেডিকেল কলেজের প্রাণ হলো তার হাসপাতাল এবং পর্যাপ্ত ও দক্ষ শিক্ষক মণ্ডলী। অথচ অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে, সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অবকাঠামো দৃশ্যমান হলেও রহস্যজনক কারণে এখনো হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়নি। এর পাশাপাশি তীব্র শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষা ও চিকিৎসকদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা তাদের মৌলিক ও ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।


​নেতৃদ্বয় ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, সুনামগঞ্জের মতো একটি হাওড়বেষ্টিত ও অনুন্নত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার একমাত্র ভরসাস্থল হতে পারত এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি। কিন্তু কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও ধীরগতির কারণে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীরা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন, অন্যদিকে জেলার লাখ লাখ মানুষ আধুনিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।


​জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, চিকিৎসকদের সঠিক প্রশিক্ষণ ও জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে এভাবে অবহেলা করা যায় না। অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের সব যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজে সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং সাধারণ মানুষের চিকিৎসার অধিকার নিশ্চিত করার জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানান। অন্যথায়, সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

প্রীতম দাস/ তাহির আহমদ

মন্তব্য করুন: