চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা

চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা

ঢাকা অফিস

০৬/০৯/২০২৬ ২১:২০:১৯

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

নির্বাচন কমিশন (ইসি) চলতি সেপ্টেম্বরেই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি বলেছেন, ‘চলতি মাসেই নির্বাচনের বহুল প্রতীক্ষিত ইউপি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করা হবে। তবে এ নির্বাচন একসঙ্গে সব ইউনিয়নে না হয়ে, ব্যয় সংকোচন নীতি বজায় রেখে ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে।’

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের যে আবহ তৈরি হয়েছে, তার অংশ হিসেবে চলতি মাসের শেষেই ইউপি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করা সম্ভব। দেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে সব ইউপি নির্বাচন একই সঙ্গে করা কঠিন। তাই ব্যয় সংকোচন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধাপে ধাপে সব ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’

নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। সব ধরনের কারচুপি রোধে নজিরবিহীন নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর ব্যবস্থা করা হবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা বহুগুণ বাড়ানো হবে। যেকোনো বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।’

ভোটার স্থানান্তরের বিষয়ে ইসি আনোয়ারুল বলেন, ‘ভোটার স্থানান্তর একটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও রুটিন কাজ। অনেকে মনে করেন এ কাজটি কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে করা হয়, যা সঠিক নয়। ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে এবং অনিয়ম রোধে ইসি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। যাতে সবাই নিয়মের মধ্যে থেকেই এ সুযোগ নিতে পারেন।’

তিনি বলেন, ‘আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। যেহেতু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় এবং শিক্ষকরাই মূলত ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তার (প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার) দায়িত্ব পালন করেন। তাই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময় বাদ দিয়ে পরীক্ষার আগে বা পরেই ইউপি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইসির কাছে নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়ে দাবি জানানো হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত পরিষ্কার। ইসি মনে করে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গঠনমূলক পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় অন্তরায়। এর ফলে শিক্ষকদের নিরপেক্ষতা চরমভাবে লঙ্ঘিত হবে, যা সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর।’

নীরব চাকলাদার

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad