সুনামগঞ্জে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে শিক্ষার মানোন্নয়ন শীর্ষক সেমিনার
সুনামগঞ্জে জেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন শীর্ষক বিষয়ক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ২৪ আগষ্ট রবিবার বিকাল ৩ টায় জেলা শিল্প কলা একাডেমীর হাসন রাজা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক সমর কুমার পালের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক ছিলেন সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী,বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহন লাল দাস। আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রেজাউল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি তাপস শীল, শান্তিগঞ্জ উপজেলার ইউএনও সুকান্ত সাহা,সুনামগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর উপাধ্যক্ষ মাওলানা তোফায়েল আহমেদ খান, শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ সৈয়দ মহিবুল ইসলাম, সাবেক সিভিল সার্জন ডাঃ আশুতোষ দাস, সাবেক অধ্যক্ষ শেরগুল আহমেদ, সুনামগঞ্জ জেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি লতিফুর রহমান রাজু,ক্যাব সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান চৌধুরী সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষক, অভিভাবক সহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধি গণ।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য মানসিকতার প্রয়োজন। অভিভাবক গণের ও সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। চ্যাপ্টার গুলো আত্মস্থ করতে হবে। ট্রেনিং এর কোন বিকল্প নেই, শিক্ষক দের আরও বেশী ট্রেনিং করাতে হবে।একটা উদ্দীপন সৃষ্টি না করতে পারলে কেমন শিক্ষা দেবেন। পরীক্ষার খাতা দেখার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ থাকতে হবে,মন মানসিকতা ভাল থাকলে খাতা দেখুন, অন্য কে দিয়ে খাতা দেখানো ঠিক না। সামান্য ভূলে একজন শিক্ষার্থীর সর্বনাশ ঘটতে পারে। টিচার দের গুনগত মান বৃদ্ধির জন্য আহবান জানিয়ে বলেন শিক্ষার কোন বিকল্প নেই, যত বেশী জানবেন তত বেশী জানাতে পারবেন। শ্রেণী কক্ষ টা একজন শিক্ষকের কোচিং সেন্টার হিসেবে মনে করতে হবে। শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে শিক্ষকদের ভূমিকা অগ্র গণ্য।
বক্তারা আরও বলেন সুনামগঞ্জ জেলার শিক্ষার মান হতাশা জনক।হাওরের জেলা গুলোতে শিক্ষার উপকরন অতিরিক্ত রাখার আহ্বান জানান। স্কুল গুলোতে মেল বন্ধন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। সেল্ফ স্টাডি বাড়াতে হবে। টিউশনী দিন দিন পণ্যে পরিনত হচ্ছে এ থেকে উত্তরনের জন্য সবাই কে একযোগে কাজ করতে হবে। অনেক শিক্ষক নিয়মিত স্কুলে থাকেন আবার অনেক শিক্ষক নিয়মিত থাকেন না । তাদের নিয়মিত থাকার দায়বদ্ধতা থাকতে হবে।
মীর্জা ইকবাল
মন্তব্য করুন: