সিলেটের উন্নয়নে ১০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সিলেটের উন্নয়নে ১০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

২৭/১০/২০২৬ ১৯:২৫:৪২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, জাপানের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি কার্যকর হলে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়বে বলে সরকার আশাবাদী।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে সিলেট নগরের ব্লু ওয়াটার শপিং সিটির ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (ইমজা) কার্যালয়ে মাহা-ইমজা অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় দাবা খেলার মাধ্যমে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটের কৃষি, শিল্পায়ন, যোগাযোগব্যবস্থা, পর্যটন, নগর উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি সরবরাহ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অবকাঠামো নির্মাণই উন্নয়নের একমাত্র লক্ষ্য নয়, মানুষের জীবনমানের উন্নয়নই হওয়া উচিত উন্নয়নের মূল উদ্দেশ্য।

ইমজার সভাপতি, যমুনা টেলিভিশনের সিলেট ব্যুরোপ্রধান ও দৈনিক যুগান্তরের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মাহবুবুর রহমান রিপনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও এনটিভির সিনিয়র ক্যামেরাপার্সন আনিস রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জন্য জাপানের গুরুত্ব অনেক। দ্বিপক্ষীয় সহায়তার ক্ষেত্রে জাপান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অংশীদার। দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে। জাপানের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় মাতারবাড়ীসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প এবং ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

তিনি বলেন, জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি নিয়ে কাজ চলছে। চুক্তিটি জাপানের পক্ষ থেকে যাচাইয়ের জন্য আগামী সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের কথা রয়েছে। দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং বিভিন্ন পদ্ধতিগত জটিলতা দূর করা সম্ভব হলে এই চুক্তির বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়বে।

সিলেটের কৃষি উন্নয়ন প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে যান্ত্রিকীকরণের বিকল্প নেই। একটি ট্রাক্টর এক দিনে যে পরিমাণ জমি চাষ করতে পারে, সেই কাজ করতে প্রায় ৮০ থেকে ১০০ জন শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে, ট্রাক্টর চালাতে এক দিনে প্রায় দুই লিটার ডিজেল লাগে। ফলে কৃষিকাজে যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ানো গেলে উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়বে।

সিলেটের কৃষিপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে সিলেট বিমানবন্দরের পাশে প্যাকেজিং হাউস নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঢাকার শ্যামপুরের আদলে সেখানে একটি প্যাকেজিং হাউস করা হবে। এর সঙ্গে থাকবে কোল্ড স্টোরেজ বা হিমাগার।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোন এলাকায় কোন ধরনের শাকসবজি উৎপাদনের সম্ভাবনা বেশি, তা চিহ্নিত করে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হবে। এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকার উপযোগী ফসল উৎপাদনে সম্পদ ও সহায়তা কাজে লাগানো গেলে কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়বে।

কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পায়নের লক্ষ্যে সিলেটে ১৮৮ একর জমিতে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) একটি প্রকল্প নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সিলেটে বর্তমানে দুটি বিসিক শিল্প এলাকা রয়েছে। সব মিলিয়ে সেগুলোর আয়তন প্রায় ৩০ একর। এর বিপরীতে নতুন করে ১৮৮ একরের একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সিলেটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ব্যাপক বিকাশ ঘটবে।

সিলেট বিভাগের গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নে প্রায় ৫ হাজার ৩২৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রকল্পটি আগামী দিনে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপনের আশা রয়েছে।

কিছু প্রক্রিয়াগত কারণে আগের দুই-তিনটি একনেক সভায় প্রকল্পটি উপস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সভায় এটি উত্থাপনের চেষ্টা চলছে।

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের উন্নয়নকাজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। ২০২৮ সালের শেষ নাগাদ মহাসড়কটি পূর্ণাঙ্গভাবে দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর সামান্য কিছু কাজ পরবর্তী দুই-তিন মাস চলতে পারে। তবে ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সড়কটি মূলত ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠবে বলে তিনি জানান।

লালাবাজার থেকে সিলেট অংশের সড়ক চার লেনে উন্নীত করার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারছেন না। অনুষ্ঠান শেষে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন। কোনো জটিলতা থাকলে তা নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সিলেট নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রকল্পটি আগামী দিনে একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে। এসব সড়কের বড় একটি অংশ এখনো পাকা করা সম্ভব হয়নি। সড়ক উন্নয়নের জন্য নতুন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, নগরে পানি সরবরাহের সক্ষমতা বাড়াতে চেঙ্গেরখাল এবং সুরমা-কুশিয়ারা নদী থেকে পানি উত্তোলন করে পরিশোধনের মাধ্যমে সরবরাহের একটি বড় প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।বড় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হওয়ার আগ পর্যন্ত নগরবাসীর পানির চাহিদা পূরণে স্বল্পমেয়াদি কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নতুন নলকূপ স্থাপন, পাম্পিং স্টেশন নির্মাণ এবং অকেজো হয়ে পড়া স্থাপনাগুলো মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে সচল করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সিলেট নগরে হাঁটাচলার জায়গা ও উন্মুক্ত স্থানের সংকট দূর করতে পুরোনো কারাগারের জায়গায় আধুনিক পার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। পুরোনো কারাগারটি সিলেট সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এর আগে সেখানে বিকল্প মেট্রোপলিটন কারাগারের ব্যবস্থা করতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, নতুন কারাগার নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এরপর পুরোনো কারাগারের জায়গায় পার্ক নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই, নকশা প্রণয়ন ও প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা হবে। কারাগারের সীমানার বাইরের এলাকাতেও সবুজায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকারের বর্তমান মেয়াদের মধ্যে পুরোনো কারাগারের জায়গাটিকে আধুনিক ও বিশ্বমানের পার্কে রূপান্তর করার প্রত্যাশা রয়েছে। পার্কটির নাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে রাখার ইচ্ছার কথাও জানান তিনি।

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কিন ব্রিজের পাশ দিয়ে নতুন একটি ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় কিন ব্রিজ দিয়ে বর্তমানে যানবাহন চলাচল করে না। ব্রিজটি শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি এর পাশে নতুন একটি ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।

সিলেট নগরের যানজট কমাতে কয়েকটি বিকল্প সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, খাদিমনগর ইউনিয়নের সাহেবের বাজার থেকে একটি ভাঙাচোরা সড়ক ২৪ ফুট প্রশস্ত করে কংক্রিটের সড়কে উন্নীত করা হবে। এর ফলে ট্রাকগুলোকে নগরের আম্বরখানা এলাকা দিয়ে চলাচল করতে হবে না। বিকল্প পথ ধরে খাদিমপাড়া হয়ে কালাগুল বাজারের সড়ক ব্যবহার করে যানবাহন বাইপাসে পৌঁছাতে পারবে।

সিলেটের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাদাঘাট বাইপাসের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজও অগ্রসর হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরের যানজট কমানো এবং যাতায়াত সহজ করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ড্রোন এবং ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং যান চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ রয়েছে।

কিশোর অপরাধ, মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের বিষয়টি তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারেও ছিল। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানোর পর বিগত সংসদ অধিবেশনে আইন পাস হয়েছে। এখন সুনির্দিষ্ট আইনের আওতায় এ অপরাধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকার দুটি অংশের একটি সিলেট সদর উপজেলা, অন্যটি সিলেট সিটি করপোরেশন। নগরের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং মহানগর বিএনপির নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে। সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকার উন্নয়ন উপজেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অনেক দূর যেতে হবে। উন্নয়নের কোনো চূড়ান্ত ধাপ নেই। আজকের অবস্থান থেকে আগামী দিনে আরও ভালো অবস্থানে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি ইমজার নিজস্ব কার্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ জন্য ইমজার সভাপতিকে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে উপযুক্ত জায়গা নির্ধারণের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ইমজার নিজস্ব কার্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে তাঁর আশাবাদ এখনো রয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মাহা-ইমজা অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর ক্রীড়া কমিটির আহ্বায়ক ও ইমজার সাবেক সভাপতি সজল ছত্রী। এছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সময় টেলিভিশনের সিলেট ব্যুরো প্রধান ইকরামুল কবির, ইমজার সাবেক সভাপতি কাম কামুর রাজ্জাক রুনু, সংগ্রাম সিংহ, দেবব্রত ঘোষ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাইনুল জাকির, ইমজার সাবেক সভাপতি আশরাফুল কবীর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর আহমদ, দেবাশীষ দেবু, সাকিব আহমদ মিঠু, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটির পরিচালক রব্বানী মোস্তফা রাজিব ও মহাব্যবস্থাপক মলয় দত্ত মিঠু।

ইমজার সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সময় টেলিভিশনের দিগেন সিংহ, বাংলা টেলিভিশনের এস আলম আলমগীর ও কাইয়ুম উল্লাস, ডিবিসি নিউজের প্রত্যুষ তালুকদার,তাওহীদুর রহমান শাহ্ ও সাকিব আহমদ, দেশ টেলিভিশনের খালেদ আহমদ ও সোহেল আহমদ, নাগরিক টেলিভিশনের টুনু তালুকদার, এখন টেলিভিশনের অনিল কুমার পাল, সন্দীপন শুভ ও তপু বণিক, সময় টেলিভিশনের নৌসাদ আহমেদ চৌধুরী, অপু বনিক ও জয়ন্ত কুমার দাস, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের দীপক বৈদ্য ও আজহার উদ্দিন শিমুল, একাত্তর টেলিভিশনের মুহিত আলম দিদার, ক্যামেরাপার্সন জাফরান আহমেদ, আরটিভির হাসান মো. শামীম, নিউজ টোয়েন্টিফোরের নাজাত আহমদ পুরকায়স্থ ও হাসান শিকদার সেলিম, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের রানা মজুমদার, মাছরাঙা টেলিভিশনের শুভ্র দাস রাজন, এটিএন বাংলার ইকবাল মুন্সী, জিটিভির বিলকিস আক্তার সুমি, সিলেট বেতারের শফিকুর রহমান চৌধুরী, বৈশাখী টেলিভিশনের এস সুটন সিংহ, ইমজার সাবেক সদস্য শামীম হোসাইন, যমুনা টেলিভিশনের আহমেদ শাহীন ও নাবিল হোসেন, চ্যানেল ওয়ানের এম এ কাইয়ূম ও জয়নুল আহমদ, স্টার নিউজের ইয়াহইয়া মারুফ ও শামীম আহমদ, বাংলা ভিশনের আজমল আলী, এটিএন নিউজের কামরুল ইসলাম মাহি, ইমজা নিউজের মো. রবিউস সানি, নয়ন নিমু ও মুহিবুর মিয়া, বিশাল দে বৃত্ত, চ্যানেল নাইনের জাকারিয়া হোসেন জোসেফ, মেহেদি হাসান অপূর্ব, এটিএন বাংলা ইউকের রুবেল, গ্রীন টেলিভিশনের ফারুক আহমদ ও রুবেল আহমদ, কালের কন্ঠের কবির আহমেদ প্রমুখ।


নীরব চাকলাদার

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad