দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ
শাল্লায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১১ ইউপি সদস্যের অনাস্থা
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪ নম্বর শাল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে ১১ জন ইউপি সদস্য জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেছেন তারা।
গত ১৫ অক্টোবর জেলা প্রশাসক বরাবর দাখিল করা অভিযোগপত্রে বলা হয়, চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তার বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন, ইউপি সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণ করেছেন এবং একক সিদ্ধান্তে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২২–২০২৩ অর্থবছরে ইউপি কার্যালয়ের আসবাবপত্র কেনার জন্য ১ লাখ ৩৬ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও কোনো আসবাব কেনা হয়নি। এ ছাড়া একই অর্থবছরে শিক্ষা উপকরণ ও ব্যাগ বিতরণ প্রকল্পের ৩ লাখ ৮৪ হাজার ২০০ টাকা এবং রাস্তায় রিং পাইপ স্থাপন প্রকল্পের ৩ লাখ টাকার কোনো কাজ বাস্তবায়ন ছাড়াই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৩–২০২৪ অর্থবছরে রিং পাইপ স্থাপনের জন্য বরাদ্দ ৩ লাখ টাকাও আত্মসাৎ করা হয়েছে। ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের ১৬ লাখ টাকার এলজিএসপি প্রকল্প বাস্তবায়নের কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। একই সময় ট্যাক্স আদায়ের টাকাও গায়েব হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
ইউপি সদস্যদের অভিযোগ, চেয়ারম্যান নিয়মিত মিটিং না করে একক সিদ্ধান্তে প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এতে ইউনিয়নের উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে চেয়ারম্যান আব্দুস ছাত্তার বলেন, “অভিযোগ তো দিতেই পারে দেউক। আমি আসতেছি, পরে কথা বলব।”
শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, “১১ ইউপি সদস্যের অভিযোগ আমরা পেয়েছি। বিষয়টি জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে।”
জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: