সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন
Led Bottom Ad

দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে পদায়নের প্রতিবাদ

সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন

নিজস্ব প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ

২৯/১০/২০২৫ ২০:০৮:১৩

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

একাধিক প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ (সুপারিনটেনডেন্ট) মো. সোহরাব হোসেনকে সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে পদায়নের প্রতিবাদে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে ক্লাস বর্জন করেছে শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ইনস্টিটিউটের একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষের পদায়ন বাতিল করো’— এমন স্লোগান দেন।

ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) মো. সোহরাব হোসেনকে সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। তারা অভিযোগ করেন, নবনিযুক্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে পূর্বের কর্মস্থলে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা অনুচিত। তারা অধ্যক্ষের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস বর্জন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

এদিকে ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তারা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

একইদিন ইনস্টিটিউটের ইন্সট্রাক্টর (কারিগরি) ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির আহ্বায়ক মো. আমীনুর রশীদসহ পাঁচ সদস্যের স্বাক্ষরিত একটি নোটিশ জারি করা হয়। এতে বলা হয়, নবাগত অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগগুলো তদন্তে অসত্য ও বানোয়াট প্রমাণিত হয়েছে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি অভিযোগে কোনো সত্যতা পায়নি বলেও উল্লেখ করা হয় নোটিশে। তবে শিক্ষার্থীরা নোটিশটির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। ওয়েট প্রসেসিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আমিন উদ্দিন বলেন, “রুমানা খানম নামের টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ২৩ অক্টোবর থেকে ছুটিতে আছেন, তিনি কিভাবে ২৮ অক্টোবরের নোটিশে স্বাক্ষর করেন? এটা প্রমাণ করে যে নোটিশটি তড়িঘড়ি করে তৈরি করা।”

তিনি আরও বলেন, “অভিযুক্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণের কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি তারা। আমাদের দাবি মানা না হলে কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে।”

এদিকে, এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যেও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত একজন ব্যক্তিকে এমন গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়া শিক্ষাক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad