সুনামগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি,শিক্ষক গ্রেপ্তার
Led Bottom Ad

সুনামগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি,শিক্ষক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি,সুনামগঞ্জ

৩০/১০/২০২৫ ১৮:৫৩:১৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইর রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কাওসার মিয়াকে বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১১টা ৩০ মিনিটে ধর্মপাশা পূর্ব বাজার থেকে গ্রেপ্তার করেছে ধর্মপাশা থানা পুলিশ।


স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে স্কুলে প্রাইভেট পড়িয়ে অন্য ছাত্রীদের ছুটি দিয়ে তাকে বসতে বলে শিক্ষক কাওসার মিয়া। সবাই চলে গেলে তাকে একা পেয়ে শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটায় ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কাওসার মিয়া। মেয়েটি চিৎকার দিয়ে কান্নাকাটি করে বাড়িতে গিয়ে মাকে সব ঘটনা বলে। মেয়েটির বাবা মৃত, তাই সাথে সাথে তাকে ধরতে পারেনি। এই ঘটনা এলাকার কিছু মানুষকে দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে শিক্ষক কাওসার মিয়া। 


বুধবার বিকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এলাকার লোকজন শিক্ষকের বিচার দাবিতে পোস্ট দেয়। সন্ধ্যা সময় এলাকাবাসী ওই শিক্ষককে আইনের আওতায় এনে গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে প্রশাসনের কাছে দাবি জানায়।


রাজাপুর স্কুলের সাবেক শিক্ষিকা মাসুমা আক্তার শাহীন বলেন, স্কুলের সব বই সে চুরি করে বিক্রি করেছে। স্কুলে সময় মতো আসতো না, আমার ও ছাত্রীদের সাথে খারাপ আচরণ করতো। তার বিরুদ্ধে আমি আমার টিও স্যারকে জানিয়েছিলাম। সে শিক্ষক নামের কলঙ্ক।


সুখাইর রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সালাউদ্দিন মাহাতাব বলেন, এই ঘটনা শুনে আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে সবকিছু আমার কাছে স্বীকার করেছে। সে বলেছে আমি ধর্ষণ করিনি। শরীরের বিভিন্ন গোপন জায়গায় হাত দিয়েছি। সে শিক্ষক নামের কলঙ্ক, তার আইনের মাধ্যমে বিচার হওয়া দরকার।


ধর্মপাশা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, এই ব্যাপারে মেয়ের মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু দমন নির্যাতন আইনের ১০ ধারায় একটি মামলা বুধবার সন্ধ্যায় করেছে। আসামি রাজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ কাওসার মিয়া। তাকে গত রাত সাড়ে এগারটার সময় পূর্ব বাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হবে।


ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় বলেন, তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে, প্রচলিত আইনে আদালত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

রোদ্দুর রিফাত

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad