ছাতকে জিয়াউর হত্যায় স্ত্রী রানু বেগম গ্রেফতার
Led Bottom Ad

ছাতকে জিয়াউর হত্যায় স্ত্রী রানু বেগম গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিনিধি. ছাতক

০৭/১১/২০২৫ ২৩:৪৯:২২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

সুনামগঞ্জের ছাতকে বহুল আলোচিত জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় জড়িত থাকার সন্দেহে নিহতের স্ত্রী রানু বেগমকে (৪২) গ্রেফতার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে ছাতক থানা পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে সিংচাপইড় ইউনিয়নের গহরপুর গ্রামের লুৎফুর রহমানের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে (৪০) গ্রেফতারের পর থেকে রানু বেগম পলাতক ছিলেন। দীর্ঘ এক সপ্তাহ ধরে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তাকে নজরদারিতে রাখেন এবং অবস্থান শনাক্তের পর প্রায় অর্ধশত পুলিশ ও র‍্যাব সদস্যের অংশগ্রহণে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার এড়াতে রানু বেগম লুৎফুর রহমানের বাড়িতে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে আত্মগোপন করে ছিলেন। প্রায় দেড় ঘণ্টার অভিযান শেষে তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন,“প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পরকীয়ার জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন। তদন্তের স্বার্থে তাদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।”

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর সুনামগঞ্জ কোর্ট প্রাঙ্গণ এলাকা থেকে মূল অভিযুক্ত বাবুল মিয়াকে গ্রেফতারের পর এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নতুন গতি এসেছে। প্রাথমিক তথ্যে নিহতের পরিবারের সদস্যদেরও সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর সিংচাপইড় ইউনিয়নের মহদি গ্রামের প্রণব দাসের বাড়ির পাশে একটি ডোবা থেকে জিয়াউর রহমানের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জিয়াউর রহমান গহরপুর গ্রামের মৃত ময়না মিয়ার ছেলে। পরদিন নিহতের সৎভাই তাজিজুর রহমান ছাতক থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে ১৩ অক্টোবর নিহতের স্ত্রী রানু বেগম সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে মামলার বাদীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলেন এবং মামলাটির পুনঃতদন্তের দাবি জানান। এর পর ১৭ অক্টোবর তিনি আদালতে আলাদা মামলা দায়ের করে কয়েকজন প্রবাসী ও স্থানীয় প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনেন।


এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad