জাফলংয়ে পরিবেশবান্ধব পর্যটন ব্যবস্থার কার্যক্রম শুরু
Led Bottom Ad

ট্যুরিজম বোর্ড ও আইএলও’র যৌথ উদ্যোগ

জাফলংয়ে পরিবেশবান্ধব পর্যটন ব্যবস্থার কার্যক্রম শুরু

প্রথম সিলেট প্রতিবেদন

২৯/০৬/২০২৫ ১৪:৪১:৫৯

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

পরিবেশ সুরক্ষা এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশ সাধনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এবং আইএলও যৌথভাবে সিলেট বিভাগে কার্যক্রম শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেটের মনোরম খাসিয়া পুঞ্জি, জাফলং-এ কমিউনিটি-ভিত্তিক পর্যটন বিকাশে খাসিয়া আদিবাসীদের সাথে একটি টুক্তি সাক্ষরিত হয়েছে। 


বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড জানায়, সিলেট বিভাগের সৌন্দর্যে ঘেরা জাফলং তার অনন্য প্রাকৃতিক দৃশ্যপট, জীববৈচিত্র্য এবং খাসিয়া আদিবাসী সম্প্রদায়ের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের জন্য বিখ্যাত। নতুন করে চালু হওয়া সিবিটি মডেল একটি পরিবেশবান্ধব এবং জনগণ-নির্ভর পর্যটন ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্যোক্তা বিকাশ এবং সাংস্কৃতিক সংরক্ষণের মাধ্যমে বিশেষ করে নারী ও তরুণদের জন্য আয়বর্ধক সুযোগ সৃষ্টি হবে।


চারটি নির্ধারিত খাসিয়া গ্রাম পর্যটকদের জন্য হোমস্টে সুবিধা রাখা হয়েছে— প্রত্যেকটি হোমস্টে সর্বোচ্চ চারজন অতিথিকে গ্রহণ করতে পারে। অতিথিরা স্থানীয় আতিথেয়তা, ঐতিহ্যবাহী খাসিয়া খাবার, এবং খাসিয়া ও চা বাগান সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করতে পারবেন। তারা কমিউনিটি রেস্টুরেন্টে খাবার গ্রহণ করতে পারবেন।


এই উদ্যোগ পরিচালনা করছে স্থানীয় ডেস্টিনেশন ম্যানেজমেন্ট কমিটি (ডিএমসি), যেখানে প্রতিটি গ্রামের প্রতিনিধি আছে।

পর্যটকরা এখানে উপভোগ করতে পারেন, পিয়াইন নদীতে নৌকা ভ্রমণ ও মাছ ধরা, চা বাগান, আঁকাবাঁকা পথে সাইক্লিং, মকাম পুঞ্জিতে বন, ঝরনা ও সুপারির বাগান পেরিয়ে ট্রেকিং। এছাড়া স্থানীয়ভাবে প্রস্তুত খাসিয়া খাবার যেমন : জা দোহ, দোহ ক্লেহ, খাসিয়া চা। সন্ধ্যায় খাসিয়া বয়োজ্যেষ্ঠদের মুখে শোনা যাবে গল্প ও কল্পকাহিনি ও প্রথা সম্পর্কে।

মীর্জা ইকবাল

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad