দোয়ারাবাজারের সীমান্তবর্তী চারুরটিলায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বনভোজন আয়োজন
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বোগলা ইউনিয়নের ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী চারুরটিলা এলাকায় অবস্থিত বনভোজন ও পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের উল্লেখযোগ্য ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই এলাকা বর্তমানে স্থানীয়দের পাশাপাশি আশপাশের উপজেলার মানুষের কাছেও জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।
সম্প্রতি এক্স-স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন বোগলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে চারুরটিলায় এক বনভোজনের আয়োজন করা হয়। এতে বোগলা ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চারুরটিলা নামটির উৎপত্তি হয়েছে স্থানীয় প্রবীণ মরুব্বী চারু মিয়া’র নামানুসারে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি তাঁর নামেই পরিচিত হয়ে আসছে।
শীত মৌসুম ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ছুটির দিনে পরিবার-পরিজন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে বনভোজন ও ভ্রমণে চারুরটিলায় আসছেন অসংখ্য মানুষ। সবুজ টিলা, খোলা প্রান্তর ও সীমান্তঘেঁষা মনোরম পরিবেশ দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে।
দর্শনার্থীরা জানান, শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশে সময় কাটানোর জন্য চারুরটিলা একটি আদর্শ স্থান। তবে তারা নিরাপত্তা জোরদার, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামাগার ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এলাকাবাসীর মতে, সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে চারুরটিলা বনভোজন ও পর্যটন এলাকা দোয়ারাবাজার উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রে রূপ নিতে পারে। এতে স্থানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা হওয়ার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: