‘হ্যাঁ’ ভোটে ফ্যাসিজম ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসন থেকে মুক্তি মেলবে : ধর্ম উপদেষ্টা
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ.ফ.ম. খালিদ হোসেন বলেছেন, আগামী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে আমূল পরিবর্তন আনার মাধ্যম হবে। এতে জাতি সর্বগ্রাসী ফ্যাসিজম ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসন থেকে মুক্তি পাবে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য জাদুঘর প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত ‘গণভোট ২০২৬’ সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. খালিদ হোসেন বলেন, “অতীত ইতিহাস বলে, ক্ষমতায় একবার বসলে আমরা কেউ চেয়ার ছাড়তে চাই না। এই মানসিকতার অবসান ঘটবে আগামী গণভোটের মাধ্যমে। ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে এই সিলেট-সুনামগঞ্জ অঞ্চলে গণভোট হয়েছিল বলেই আজ আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক।”
তিনি আরও বলেন, “গণভোট মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার পরিবর্তন ঘটায়। সাধারণ নির্বাচনে আপনারা পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন, আর গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করে দেশকে স্বৈরতন্ত্রের হাত থেকে বাঁচাবেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। এবারই প্রথম ভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হবে। ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে এবং পুলিশের বুকে ক্যামেরা অন থাকবে।”
সভায় ড. খালিদ হোসেন ইমামদেরও নির্দেশ দেন, মসজিদের মিম্বরে দাঁড়িয়ে কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর পক্ষে প্রচার না চালাতে।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ উলিয়াস মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ শুকুর মাহমুদ।
সভা সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার আবু ছালেহ মুহম্মদ ইউছুফ। বক্তব্য দেন মাওলানা মফিজুর রহমান, ন্যাথানিয়েল এডইউন ফেয়ারক্রস ও পুরোহিত সুবিমল চক্রবর্তী চন্দন। প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড বজায় রাখার আহ্বান জানান। পরে একই মঞ্চে জেলা পর্যায়ের ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ধর্ম উপদেষ্টা।
ডি আর ডি
মন্তব্য করুন: