সিলেটে দুই প্রবাসী ও শিক্ষার্থী খুন: গ্রেপ্তার ৬, অধরা শফি হত্যার রহস্য
সিলেটে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দুই প্রবাসী ও এক কলেজছাত্র খুনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা জোরদার হয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িত অভিযোগে এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বোরহান উদ্দিন শফি হত্যাকাণ্ডের রহস্য এখনো অন্ধকারেই রয়ে গেছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাওয়া সেই ‘রহস্যময়’ যুবককে খুঁজছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা।
জট পাকিয়ে আছে শফি হত্যা:
আলোচিত যুক্তরাজ্য প্রবাসী বোরহান উদ্দিন শফি হত্যাকাণ্ডে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। স্বজনরা দাফন কাজে ব্যস্ত থাকায় আজকালের মধ্যে মামলা হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার জকিগঞ্জের কোনারবন্দ হাওর থেকে তাঁর পোড়া ও গলায় দড়ি প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জকিগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ছায়া তদন্ত করছে। শফির মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা সেই অচেনা যুবকের পরিচয় মিললেই হত্যার প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসবে। পিবিআই সিলেটের পুলিশ সুপার খালেদ উজ জামান জানিয়েছেন, একজন পরিদর্শক এই ক্লু উদ্ধারে নিরলস কাজ করছেন।
কোম্পানীগঞ্জে গ্রেপ্তার ৩:
এদিকে কোম্পানীগঞ্জের কামলাঘাট সীমান্তে খুন হওয়া আরেক প্রবাসী ইমরান আহমদ হত্যাকাণ্ডে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—হেলাল আহমদ, কালা মিয়া ও রহিম আলী। ইমরানের বাবা আটজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পূর্ববিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। নিহত ইমরান গত ডিসেম্বরে দেশে ফিরে জানুয়ারিতে বিয়ে করেছিলেন।
কানাইঘাটে ৩ আসামি আদালতে:
কানাইঘাটের মুক্তাপুর গ্রামে জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কলেজছাত্র ইসমাইল আহমদকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ইসলাম উদ্দিনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য দুজন হলেন—ইসলামের ভাই লোকমান হোসাইন ও বাবা জয়নাল আবেদীন। গত বুধবার রাতেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং বৃহস্পতিবার তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কানাইঘাট থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: