শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগ
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের মধ্যে হাতাহাতি, আহত একাধিক
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উপাচার্যপক্ষ এবং শিক্ষকদের একটি অংশের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ ঘটনায় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
বর্তমান উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, পদোন্নতি বঞ্চিতকরণ এবং প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে আসছিলেন শিক্ষকদের একটি অংশ। এসব বিষয়ে আলোচনার জন্য অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে কয়েকজন শিক্ষক উপাচার্যের কক্ষে গেলে সেখানে উপাচার্যপন্থি শিক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন। আলোচনার একপর্যায়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় থেকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার দাবি করে অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হক অভিযোগ করেন, প্রশাসনিক অনিয়ম নিয়ে কথা বলতে গেলে উপাচার্য ও প্রক্টরের অনুসারীরা তার ওপর হামলা চালায়, এতে তার নাক ও মুখে আঘাত লাগে।
অন্যদিকে উপাচার্য ড. আলিমুল ইসলাম অভিযোগ করেন, প্রশাসনের এক কর্মকর্তাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলা হলে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। তার দাবি, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। হাতাহাতির ঘটনায় উপাচার্যের দুই হাতের আঙুলে এবং আরও তিনজন শিক্ষক আহত হয়েছেন বলে তিনি জানান।
শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপাচার্য ড. আলিমুল ইসলাম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নিয়ম অনুসরণ করেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষায়িত বিষয়ে শিক্ষক না পাওয়ায় কিছু নিয়োগ বাইরে থেকে দিতে হয়েছে।”
বর্তমানে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিপক্ষ শিক্ষকরা এ ঘটনাকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত উল্লেখ করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: