কাতারের দুই লাল কার্ড, শেষ বাঁশির পর নতুন বিতর্ক

কাতারের দুই লাল কার্ড, শেষ বাঁশির পর নতুন বিতর্ক

প্রথম ডেস্ক

২০/০৬/২০২৬ ০৪:৩৩:৪৭

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

ম্যাচের ফলাফল বলছে কানাডার দাপুটে জয়, কিন্তু শেষ বাঁশির পরের ঘটনাই হয়ে উঠেছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপে কাতারকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর মাঠজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা, যা একপর্যায়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও তীব্র বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয়।

ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই কাতারের কঠোর ও আক্রমণাত্মক ট্যাকল নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল কানাডার খেলোয়াড়রা। দ্বিতীয়ার্ধে সেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়, যখন কাতারের আসিম মাদিবোর বিপজ্জনক ট্যাকলে গুরুতর আহত হন কানাডার মিডফিল্ডার ইসমাইল কোনে। গুরুতর চোটে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে, আর ওই ঘটনার জন্য সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয় মাদিবোকে।

শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই জমে থাকা ক্ষোভ বিস্ফোরিত হয়। মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে শুরু হয় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়, যা দ্রুত ধাক্কাধাক্কিতে গড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সতীর্থ, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ করতে হয়।

উত্তেজনার আঁচ পৌঁছে যায় সাইডলাইনেও। কানাডার প্রধান কোচ জেসি মার্শ এবং কাতারের কোচ জুলেন লোপেতেগুইয়ের মধ্যেও দেখা যায় তর্কাতর্কি। মাঠের বিভিন্ন ঘটনা এবং ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে দুই কোচের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে জানা গেছে।

ম্যাচ চলাকালেও শৃঙ্খলাভঙ্গের একাধিক ঘটনা ঘটে। প্রথমার্ধে তাজন বুকানানের ওপর কঠোর চ্যালেঞ্জের দায়ে লাল কার্ড দেখেন কাতারের হোমাম আহমেদ। পরে মাদিবোর বহিষ্কারে ৯ জনের দলে পরিণত হয় কাতার, যা তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তোলে।

এদিকে মাঠের খেলায় ছিল স্বাগতিক কানাডার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। জনাথন ডেভিডের হ্যাটট্রিকের সৌজন্যে ৬-০ গোলের বিশাল জয় তুলে নেয় তারা। তবে দাপুটে এই জয়ের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে ম্যাচ-পরবর্তী উত্তপ্ত পরিস্থিতি, যা টুর্নামেন্টের অন্যতম বিতর্কিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

সজল আহমেদ

মন্তব্য করুন: