ছাতকে শিক্ষক ও সংবাদকর্মীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান
ছাতকে একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে চাঁনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোসাদ্দেক আহমদ এবং ছাতক প্রেসক্লাবের সদস্য ও সংবাদকর্মী উজ্জীবক সুজন তালুকদারের মধ্যে সৃষ্ট আলোচনা, সমালোচনা ও ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটেছে।
সোমবার (২২ জুন) বিকেলে ছাতক উপজেলা শিক্ষক সমাজের সভাপতি খলিলুর রহমান এবং কবি ও সমাজসেবক আহমদ আল কবির চৌধুরীর আহ্বানে জাউয়াবাজার ইউনিয়নের বড় কাপন পয়েন্টস্থ মেসার্স লতিফিয়া ফার্মেসিতে শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ মতপার্থক্য থাকলেও তা যেন কখনো শত্রুতায় রূপ না নেয় এবং আলোচনার মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব— এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। দীর্ঘ আলোচনা ও মতবিনিময়ের পর সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উভয় পক্ষের প্রকাশিত বিতর্কিত পোস্টসমূহ মুছে ফেলা হবে এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখা হবে।
বক্তারা বলেন, ব্যক্তি বা পক্ষের জয়-পরাজয়ের চেয়ে সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সম্মান ও সহাবস্থান অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মতভিন্নতা থাকলেও বিভেদ নয়, বরং ঐক্য, সহনশীলতা ও সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।তারা আরও বলেন, মানুষের মধ্যে সম্পর্ক অটুট রাখাই সবচেয়ে বড় বিষয়। বিদ্বেষ ও সংঘাত নয়, ভালোবাসা, সহমর্মিতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের চর্চাই সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে পারে। শিক্ষক ও সংবাদকর্মীর উদারতা এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ মনোভাব উপস্থিত সবার কাছে প্রশংসিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাতক প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক নুর মিয়া রাজু, প্রবীণ শিক্ষক ও শিক্ষাবিদ এবং রাধানগর মোহাম্মদীয়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল বাছিত, কুরআনের খাদেম হাফিজ জালাল উদ্দিন, মতিন মিয়া, শিক্ষক মিজানুর রহমান, শিক্ষক কামরুজ্জামান কামরান, মো. আরশ আলী, মো. ওজুদ মিয়া, সাংবাদিক জামিল হোসেনসহ স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তি।সর্বশেষে উপস্থিত সবাই সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সুজন তালুকদার / সজল আহমদ
মন্তব্য করুন: