শাল্লায় বিকাশ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধীর ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ
সুনামগঞ্জে মোবাইল থেকে এক প্রতিবন্ধীর ভাতা প্রতারণার মাধ্যমে ক্যাশ আউট করে নিলেন এক বিকাশ ব্যাবসায়ী। এ ঘটনায় প্রতিবন্ধীর ভাতা ফেরত পেতে ও প্রতারকের উপর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন ভাতাপ্রাপ্ত প্রতিবন্ধীর পিতা হরিপদ দাস। গেল ১৮ জুন ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারের উপজেলা জামে মসজিদ মার্কেটের উজ্জল টেলিকমের মালিক উজ্জল মিয়া, (৪৫) প্রতারণের মাধ্যমে দুইহাজার ৫ শত টাকা নিজের একাউন্টে ট্রান্সফার করে নেন।
লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গেল ৩ জুন হরিপদ দাসের প্রতিবন্ধী ছেলের নামে নিজের বিকাশ একাউন্ট নাম্বারে (০১৩১৪৮৭৩৫৩৭০ আড়াই হাজার টাকা আসে। সেই টাকা তিনি নিজের নগদ একাউন্টে গ্রহণ করার জন্য ৯ জুন উজ্জল টেলিকমে যান। এ সময় উজ্জল মিয়া হরিপদের সিম নিয়ে তার মোবাইলে ভরে এবং নগদ একাউন্ট করে দেয়। এ ঘটনার ২ দিন পর হরিপদ দাস নিজের বিকাশ একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করতে ফের উজ্জল মিয়ার দোকানে যান। কিন্তু উজ্জল মিয়া সে সময় হরিপদ দাসকে একাউন্টে টাকা নেই বলে জানায়। পরে তিনি ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারস্থ আর এন ফার্মেসীতে টাকা উত্তোলন করতে গেলে তারাও একাউন্ট চেক করে একাউন্টে টাকা না থাকার কথা বলে। পরবর্তীতে স্টেটমেন্ট চেক করে তিনি দেখতে পান বর্ণিত তারিখ ও সময়ে উল্লেখিত মোবাইল নম্বারে ০১৭৪৮৩০৫৯৬৮ টাকা ক্যাশ আউট করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর হরিপদ দাস উল্লেখিত নাম্বারে ফোন করলে নাম্বার থেকে বিকাশ ব্যবাসায়ী উজ্জল মিয়ার দোকান বলে জানানো হয়। পরবর্তীতে উজ্জল মিয়াকে উল্লেখিত বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে উজ্জল মিয়া এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে হরিপদ দাসকে জানান। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজনকে অবগত করে সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধানে ব্যর্থ্ হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।
নীরব চাকলাদার
মন্তব্য করুন: