৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চাষের আওতায় আনা হচ্ছে হাওরের পতিত জমি
সুনামগঞ্জসহ সিলেট বিভাগের চার জেলায় ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে পতিত জমি চাষাবাদ, খাল-পাহাড়ি নালা খনন, গোপাট পাকাকরণ ও কৃষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি ২০২৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নকারী বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) প্রায় ৫শ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজটি পরিচালনা করছে। প্রকল্প সম্পন্ন হলে সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় ১৭,০১৯ হেক্টর পতিত জমির সেচ সুবিধা এবং প্রায় ৫১,৫৮০ মে.টন অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদন সম্ভব হবে।
প্রকল্পের আওতায় খনন করা হবে ৭০ কিলোমিটার খাল ও পাহাড়ি নালা, নির্মাণ করা হবে ১৫টি কালভার্ট, ৪টি গোপাট, ২টি স্লুইসগেট এবং ১০টি গভীর নলকূপ। এছাড়া পুরাতন ১৮০টি সেচ স্কিম সংস্কার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি সংরক্ষণসহ কৃষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও অন্তর্ভুক্ত।
প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী প্রনজিত কুমার দেব বলেন, “প্রকল্পের মাধ্যমে হাওরের কৃষকরা ধান ও অন্যান্য ফসল সহজে পরিবহন করতে পারবেন, সময় ও খরচ বাঁচবে। তবে কার্যক্রম বাস্তবায়নের সময় কঠোর নজরদারি রাখা হবে যাতে কোনও অনিয়ম বা দুর্নীতি না ঘটে।”
স্থানীয় কৃষক ও হাওর আন্দোলনের নেতারা প্রকল্পের উদ্যোগকে যুগান্তকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং সতর্ক নজরদারির ওপর জোর দিয়েছেন। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সুনামগঞ্জসহ চার জেলায় কৃষি উৎপাদন, আয়ের বৃদ্ধি এবং জীবনমান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: