হবিগঞ্জ-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়ার সম্পদ পৌনে সাত কোটি টাকা
Led Bottom Ad

ব্যাংকে টাকা নেই

হবিগঞ্জ-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ সুজাত মিয়ার সম্পদ পৌনে সাত কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ

১১/০১/২০২৬ ১৪:৫২:৪২

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী তার স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় পৌনে সাত কোটি টাকা।

হলফনামা সূত্রে জানা গেছে, শেখ সুজাত মিয়ার বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা থাকলেও সবগুলোই নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি যুক্তরাজ্য প্রবাসী হলেও দেশের বাইরে তার কোনো সম্পদ নেই। তার কাছে নগদ রয়েছে ৩১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা, তবে কোনো ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা নেই।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ৬৬ লাখ ৪৮ হাজার ২৯ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি, চার হাজার টাকার গহনা এবং তিন হাজার টাকার আসবাবপত্র। সবমিলিয়ে অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৯৮ লাখ ৪ হাজার ৫২৯ টাকা।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে কৃষিজমির মূল্য দেখানো হয়েছে পাঁচ কোটি ৪৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া অকৃষি জমি ও আবাসিক বা বাণিজ্যিক ভবনের মূল্য দেখানো হয়েছে পৃথকভাবে ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা করে। সবমিলিয়ে স্থাবর সম্পদের পরিমাণ পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। তবে জমির পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি।

হলফনামায় শেখ সুজাত মিয়া উল্লেখ করেছেন, তার পেশা ব্যবসা। তার দুই স্ত্রী গৃহিণী এবং তাদের নামে কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ কিংবা নগদ অর্থ নেই। যদিও আয়কর রিটার্নে স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৮৮ লাখ ৬৯ হাজার ৩০০ টাকা এবং বার্ষিক আয় চার লাখ ৩০ হাজার টাকা। তবে কোন স্ত্রীর সম্পদ তা উল্লেখ করা হয়নি।

আয়ের উৎস হিসেবে কৃষি, স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া এবং লাইসেন্স ফি, সম্মানী, উপহার ও সরকারি অনুদানের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। কৃষিখাত থেকে তার বার্ষিক আয় এক লাখ টাকা, বাড়িভাড়া থেকে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে তিন লাখ ৮০ হাজার টাকা আয় দেখানো হয়েছে।

সর্বশেষ অর্থবছরে শেখ সুজাত মিয়া আয়কর পরিশোধ করেছেন ২২ হাজার টাকা। তার স্ত্রী আয়কর দিয়েছেন তিন হাজার টাকা।

উল্লেখ্য, শেখ সুজাত মিয়া বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এবং ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি দেওয়ান ফরিদ গাজীর মৃত্যুর পর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে তিনি জয় লাভ করেন।

এ রহমান

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad