২৩ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ
সুনামগঞ্জ–৩ আসনে ৭ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ, শুরু হচ্ছে প্রচারণা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ–৩ (জগন্নাথপুর–শান্তিগঞ্জ) আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইলিয়াস মিয়া প্রার্থীদের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেন।
প্রতীক বরাদ্দ পাওয়া প্রার্থীরা হলেন—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী কয়ছর এম আহমেদ (ধানের শীষ), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহিনূর পাশা চৌধুরী (রিকশা), একই দলের মুশতাক আহমদ (দেয়াল ঘড়ি), এবি পার্টির তালহা আলম (ঈগল), স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন (তালা), মাহফুজুর রহমান খালেদ তুষার (টেবিল ঘড়ি) এবং হোসাইন আহমদ (ফুটবল)। আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে।
এর আগে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জামায়াতে ইসলামীর আলোচিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইয়াসীন খান প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।
১০ দলীয় জোটে এ আসনে প্রার্থী সমঝোতা না হওয়ায় উন্মুক্তভাবে নির্বাচন করছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শাহিনূর পাশা চৌধুরী ও মুশতাক আহমদ এবং এবি পার্টির সৈয়দ তালহা আলম।
সুনামগঞ্জ–৩ আসনটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এই আসন থেকেই অতীতে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলহাজ আব্দুস সামাদ আজাদ, সাবেক স্পিকার মরহুম হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী ও সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী আলহাজ এম এ মান্নান। স্বাধীনতার পর দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসন পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিএনপি।
জামায়াতের প্রার্থী সরে দাঁড়ানোর পর আলোচনায় উঠে এসেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন। একাধিক জোটপ্রার্থী থাকায় বিএনপির প্রার্থী কয়ছর এম আহমেদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ–৩ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭২ হাজার ৭১১ জন। এর মধ্যে জগন্নাথপুর উপজেলায় ভোটার ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৮৯ জন (পুরুষ ৭৫ হাজার ২৫৮, নারী ৭৬ হাজার ১৩১)। শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ভোটার ১ লাখ ৫৪ হাজার ১০০ জন (পুরুষ ৭৮ হাজার ৬১৪, নারী ৭৫ হাজার ৪৮৪ ও তৃতীয় লিঙ্গ ২ জন)।
ডি আর ডি
মন্তব্য করুন: