লাখাইয়ে জমি কিনে ‘আশা’ কর্মচারীর হাতে হয়রানির শিকার মাধবপুরের পরিবার
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় জমি ক্রয় করে এনজিও ‘আশা’-র এক কর্মচারীর দ্বারা চরম হয়রানি ও হুমকির শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মাধবপুর উপজেলার এক ভুক্তভোগী পরিবার জমিটি বুঝে না পেয়ে এবং জমিতে যেতে বাধা পাওয়ায় বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
জানা যায়, মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের শিবলু মিয়া ও তাঁর ভাই খায়রুল ইসলাম ২০১৩ সালে লাখাই উপজেলার মনতৈল এলাকার ফজলুল হক (ওরফে ফজলুর রহমান) এর কাছ থেকে ৬৭ শতক জমি ক্রয় করেন। জমিটি তাঁদের নামে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হলেও বিক্রেতা ফজলুর রহমান, যিনি এনজিও ‘আশা’-র কর্মচারী হিসেবে কর্মরত, তিনি জমিটি বুঝিয়ে না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন।
ভুক্তভোগী শিবলু মিয়া জানান, সম্প্রতি তাঁর ছোট ভাই ওই জমিতে চাষাবাদ করতে গেলে ফজলুর রহমান ও তাঁর লোকজন বাধা দেন এবং তাঁকে মারধর করেন। এ ঘটনায় লাখাই সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হলে আদালত বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য লাখাই থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
অন্যদিকে, ফজলুর রহমান জমিটি বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো শিবলু মিয়াদের নামে হবিগঞ্জের বিচারিক আদালতে একটি ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ মামলা দায়ের করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন ক্রেতা পক্ষ। বর্তমানে শিবলু মিয়া ওই জমিতে ধান রোপণ করলেও ফজলুর রহমান ক্রমাগত হুমকি ও বাধা প্রদান করে যাচ্ছেন।
ভুক্তভোগী শিবলু মিয়া বলেন, “আমরা বৈধভাবে টাকা দিয়ে জমি কিনেছি। কিন্তু ফজলুর রহমান আমাদের জমি বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো নানাভাবে হয়রানি ও হুমকি দিচ্ছেন। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফজলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে সেগুলো সত্য নয়।”
এ রহমান
মন্তব্য করুন: