ছাতকে চিকিৎসকদের নিয়ে জামায়াত প্রার্থীর প্রচারণা
সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারাবাজার) আসনের নির্বাচনি ময়দানে এক ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারণার মাধ্যমে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা আব্দুস সালাম আল মাদানী। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে একদল বিশিষ্ট চিকিৎসককে সঙ্গে নিয়ে ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ বাজারে গণসংযোগ করেন তিনি।
সিলেট ও দেশের খ্যাতনামা চিকিৎসকদের এই নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে দেখে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের চক্ষু বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডা. আবুল হাশেম চৌধুরী, এনেস্থিসিয়া বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডা. আব্দুল লতিফ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (ডিজি) ডা. মাশুক আহমেদ, জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র কনসাল্টেন্ট ডা. শাব্বির আহমেদ, এছাড়া আল হারামাইন হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. তামিম আহমেদ এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. মাসুম আহমেদসহ একঝাঁক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।
বৃহত্তর গোবিন্দগঞ্জ বাজার ও আশপাশের বিভিন্ন পয়েন্টে গণসংযোগকালে আব্দুস সালাম আল মাদানী সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের অভাব-অভিযোগ শোনেন। তিনি বলেন, “ছাতক-দোয়ারার মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করে একটি নান্দনিক, শিল্পসমৃদ্ধ ও আধুনিক জনপদ গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য। গুণীজন ও সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন আমাকে আশাবাদী করে তুলছে।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটারদের মতে, উচ্চশিক্ষিত ও সমাজের প্রভাবশালী পেশাজীবী হিসেবে চিকিৎসকদের এই সরাসরি অংশগ্রহণ নির্বাচনি সমীকরণে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। প্রথাগত প্রচারণার বাইরে এই ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ মাওলানা মাদানীর পক্ষে এক ধরনের ‘নীরব গণজোয়ার’ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত ভোটারদের মধ্যে এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
গোবিন্দগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, একজন প্রার্থীর পক্ষে যখন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা মাঠে নামেন, তখন প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। সাধারণ মানুষ এবার নিরাপদ ও যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচনে মাদানীর ওপর ভরসা রাখতে শুরু করেছেন।
গণসংযোগকালে জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবির ও ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এ রহমান
মন্তব্য করুন: