শাল্লায় পিআইসি নিয়ে অভিযোগ-প্রতিআভিযোগে মুখোমুখি কমিটির দুই সদস্য
Led Bottom Ad

শাল্লায় পিআইসি নিয়ে অভিযোগ-প্রতিআভিযোগে মুখোমুখি কমিটির দুই সদস্য

নিজস্ব প্রতিনিধি, শাল্লা

১৬/০২/২০২৬ ২১:৪৭:৪৪

প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না: ফাইজ তাইয়েব আহমেদ

হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণকে কেন্দ্র করে শাল্লা উপজেলা-এ গঠিত পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) নিয়ে প্রকাশ্যে বিরোধে জড়িয়েছেন কমিটির দুই সদস্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্ট ও পাল্টা পোস্টে একে অপরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


বিতর্কের সূত্রপাত হয় উপজেলা পিআইসি কমিটির সাংবাদিক প্রতিনিধি পাবেল আহমেদের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে। তিনি দৈনিক সবুজ সিলেট-এ প্রকাশিত একটি সংবাদের উল্লেখ করে দাবি করেন, শাল্লায় কোটি টাকার পিআইসি অনিয়মের সঙ্গে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী জড়িত। পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয় পাল্টা প্রতিক্রিয়া।


এর কিছু সময়ের মধ্যেই জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রাশেদুল ইসলামের অনুসারী হিসেবে পরিচিত নুরুল হক ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি সাংবাদিক পাবেল আহমেদের বিরুদ্ধেই পিআইসি–সংক্রান্ত অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন।


নুরুল হকের দাবি, বিগত সরকারের সময় পিআইসি কার্যক্রমের মাধ্যমে বিপুল অর্থ লেনদেন হয়েছে এবং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও প্রভাব খাটিয়ে কমিটিতে অবস্থান ধরে রাখা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অন্যদের বঞ্চিত করে এককভাবে একাধিক পিআইসি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়েছে।


তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দেননি।


স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এ ধরনের প্রকাশ্য বিরোধ উদ্বেগজনক। তাঁদের মতে, প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা ও মান নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত প্রধান অগ্রাধিকার।


উপজেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক একরামুল হোসেন বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা যদি নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জড়ান, তাহলে বাঁধের কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। তিনি প্রকৃত কৃষকদের সম্পৃক্ত করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় পিআইসি গঠনের দাবি জানান।


অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর মাধ্যমে পিআইসি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সাধারণ কৃষকেরা সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়া থেকে দূরে রয়েছেন। স্থানীয়রা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পি ডি

মন্তব্য করুন:

Led Bottom Ad
Led Bottom Ad