শান্তিগঞ্জের পশ্চিম বীরগাঁও ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন ইমরান হাসান
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার অবহেলিত পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ এক যুগ পর এবার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনী মাঠ উত্তপ্ত করে তুলেছেন দুর্গাপুর গ্রামের তরুণ সমাজসেবক ইমরান হাসান। দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক সেবার নানা সংকটে জর্জরিত এই ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা।
স্থানীয় রাজনৈতিক ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, অতীতে দুর্গাপুর গ্রাম থেকে তিনজন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে লড়লেও তারা অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় গ্রামটি থেকে কেউ আর চেয়ারম্যান পদে দাঁড়ানোর সাহস দেখাননি। সেই দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে এবার নতুন চমক হিসেবে তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি ইমরান হাসান মাঠে নেমেছেন। ইতিমধ্যে তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও প্রচারণায় সরব রয়েছেন।
তরুণ এই প্রার্থী বলেন, “আমি ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত থেকে মানুষের সেবা করার চেষ্টা করেছি। স্থানীয় মুরুব্বি ও যুবসমাজের পরামর্শে এবং ইউনিয়নের বৃহত্তর স্বার্থেই আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানুষ এখন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক নেতৃত্ব চায়। আমি সেই স্বচ্ছতা বজায় রেখেই পশ্চিম বীরগাঁওকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বৈষম্যহীন ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
ইমরান হাসানকে কেন্দ্র করে দুর্গাপুরসহ পুরো ইউনিয়নজুড়ে এখন ‘পরিবর্তনের হাওয়া’ বইছে। বিশেষ করে ইউনিয়নটির সাধারণ ভোটার এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইমরানকে নিয়ে ব্যাপক উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা এমন একজন নেতা খুঁজছেন যিনি কেবল ভোটের সময়ের প্রতিশ্রুতি নয়, বরং বাস্তবিক উন্নয়নের মাধ্যমে অবহেলিত জনপদকে এগিয়ে নেবেন।
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এই তরুণ প্রার্থীর অংশগ্রহণ স্থানীয় রাজনীতির পুরনো সমীকরণ বদলে দিতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। ইমরান হাসান আশা ব্যক্ত করে বলেন, “আমার বাসস্থান আমার পশ্চিম বীরগাঁও। এর উন্নয়ন আমার সম্মিলিত অঙ্গীকার। আমি বিশ্বাস করি, ইউনিয়নবাসী আমাকে তাদের সন্তান হিসেবে সেবা করার সুযোগ দেবেন।”
এ রহমান
মন্তব্য করুন: